পাকিস্তান ১৪৬/৯ (ফখর ৫০, শাহিন ২৯*, জুনেইদ ৪/১৮)
সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ১০৫ (রাহুল ৩৫, ধ্রুব ২০, শাহিন ২/১৬)
৪১ রানে জয়ী পাকিস্তান
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাটক। বুধবারের এশিয়া কাপে পাকিস্তান বনাম সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর ম্যাচকে বর্ণনা করতে এই একটা শব্দই যথেষ্ট। দীর্ঘ টালবাহানা শেষে একঘণ্টা দেরিতে শুরু হল ম্যাচ। লো স্কোরিং ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি ফুটল পাকিস্তানে মুখে। লড়াই করেও এবারের মতো এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিল আমিরশাহী।
হ্যান্ডশেক বিতর্কের জেরে ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিলেন শাহিন আফ্রিদিরা। ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটকে এশিয়া কাপ থেকে বহিষ্কার না করলে পাকিস্তান খেলবে না বলে জানিয়ে দেয়। কিন্তু সেই আবেদন আইসিসি পত্রপাঠ খারিজ করে দেয়। তারপরেই বয়কটের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে ফেলে পাকিস্তান। পিসিবির তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়, কোনও ক্রিকেটার মাঠে যাবেন না। শেষ পর্যন্ত পাক বোর্ডের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, ভারত-পাক ম্যাচে নিজের ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন পাইক্রফট। এই বিবৃতি জারি হওয়ার পরে টস করতে নামেন পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘা।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। যে তরুণ তুর্কি একদিন জশপ্রীত বুমরাহকে এক ওভারে ৬টা ছক্কা হাঁকাবেন বলে বলে স্বপ্ন দেখে পাক ক্রিকেটমহল, সেই সাইম আয়ুব এদিনও শূন্য রানে আউট। আগের দিন রান পাওয়া ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানও এদিন মাত্র ৫ রান করে আউট। তিন নম্বরে নামা ফখর জামান অবশ্য হাফসেঞ্চুরি করে দলকে টানেন। কিছুটা সঙ্গত দেন অধিনায়ক সলমন (২০)। এদিনও শেষ মুহূর্তে ব্যাট হাতে দলের মসিহা হয়ে ওঠেন শাহিন আফ্রিদি। ১৪ বলে ২৯ রান করে দলের স্কোর সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যান তিনি।
১৪৭ রানের টার্গেট দুবাইয়ের পিচে আমিরশাহীর মতো দলের পক্ষে বেশ কঠিন। প্রথম থেকেই আঁটসাট বোলিং করে আমিরশাহী ব্যাটারদের চাপে ফেলে দেন আবরার আহমেদরা। ক্রিজে টিকে থাকলেও রান করতে পারছিলেন না আলিশান সারাফুরা। একা কুম্ভ হয়ে লড়াই করার চেষ্টা করলেও ৩৫ রানে আউট হয়ে যান রাহুল চোপড়া। ম্যাচের শেষ দিকে এসে রান তোলার মরিয়া চেষ্টায় এলোপাথাড়ি শট খেলেন আমিরশাহী ব্যাটাররা। কিন্তু তাতে আখেরে লাভ হয়নি। দিনভর টানটান উত্তেজনার পর অবশেষে সুপার ফোরের টিকিট পেল পাকিস্তান।
