লম্বা ছুটি থাকায় শনিবার দিঘায় পর্যটকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো! সৈকতজুড়ে মানুষের কোলাহল। এর মধ্যেই দেখা মিলল জ্যান্ত ডলফিনের। দিঘা মোহনার একেবারে সমুদ্র সৈকতের কিনারায় চলে আসে ওই ডলফিনটি। আর তা দেখা মাত্র সৈকতে থাকা পর্যটকদের মধ্যেই হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। শুধু তাই নয়, সঙ্গে সঙ্গে ডলফিনটিকে হাতে তুলে কেউ ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন কেউ আবার তোলেন সেলফি। পর্যটকদের কথায়, এ এক অন্য অনুভূতি! যদিও বিষয়টি জানা মাত্র সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান সমুদ্র সৈকতে কর্তব্যরত নুলিয়ারা। দ্রুত সেটি উদ্ধার করে ফের জলে ছেড়ে দেন।
এর আগেও বহুবার দিঘার সমুদ্র সৈকতে উদ্ধার হয়েছে ডলফিল। তবে বেশিরভাগই উদ্ধার হয় মৃত অবস্থায়। তবে এদিন একেবারে সৈকতের কিনারায় উদ্ধার হয় ডলফিনটি। স্বভাবতই পর্যটকদের মধ্যে একেবারে হৈ হৈ কাণ্ড পড়ে যায়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই আশেপাশে ছড়িয়ে থাকা পর্যটকরাও ছুটে আসে ঘটনাস্থলে। তবে এদিন ডলফিনটি উদ্ধার হয়েছে সেটি আকারে অপেক্ষাকৃত অনেকটাই ছোট। স্থানীয়দের কথায়, ডলফিন বলা হলেও এতি সাধারণত শুশুক বলা হয়। ছোট্ট গাঙ্গেয় ডলফিন, দেশি কথায় যার নাম শুশুক।
আরও পড়ুন:
তবে এদিন ডলফিনটি উদ্ধার হয়েছে সেটি আকারে অপেক্ষাকৃত অনেকটাই ছোট। স্থানীয়দের কথায়, ডলফিন বলা হলেও এতি সাধারণত শুশুক বলা হয়। ছোট্ট গাঙ্গেয় ডলফিন, দেশি কথায় যার নাম শুশুক।
দিঘায় কর্তব্যরত এক নুলিয়া রতন দাস বলেন, ”শনিবার পর্যটকদের হাতে এই ডলফিনটি উঠে আসে। সাধারণ এটি গাঙ্গেয় ডলফিন। একে সাধারণত আমরা শুশুক বলে থাকি। এর ওজন আনুমানিক ২০ থেকে ২২ কেজির মধ্যে হবে।” রতনবাবুর কথায়, দিঘায় উদ্ধার হওয়া ডলফিনটির যাতে কোনও ক্ষতি না হয় সেজন্য খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। শুধু তাই নয়, পর্যটকদের কাছ থেকে সেটি উদ্ধার করে ফের সমুদ্র সৈকতে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর ফলে উদ্ধার হওয়া ডলফিনটির কোনও ক্ষতি হয়নি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
