ফের ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট বা ‘নিট’ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ। রাজস্থানের সিকারে বহু পরীক্ষার্থী সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের অনেকাংশ আগেই পেয়ে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি দেশের সবচেয়ে বড় মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে কোনও বড় চক্র কাজ করছে?
রাজস্থান স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপ (এসওজি)-এর তদন্তে উঠে এসেছে, গত ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট পরীক্ষার ৭২০ নম্বরের মধ্যে প্রায় ৬০০ নম্বরের প্রশ্ন আগে থেকেই কিছু পরীক্ষার্থী পেয়ে যান। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল ‘নকল’ প্রশ্ন। তদন্তকারীরা বোঝার চেষ্টা করছেন, পরীক্ষার্থীদের হাতে আগেভাগে আসা প্রশ্নপত্রটি কি ‘অনুমানভিত্তিক প্রশ্নপত্র’ ছিল, নাকি পরীক্ষার আগে প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গিয়েছিল।
আরও পড়ুন:
বিতর্ক তীব্র হয়েছে, কারণ তদন্তকারীরা দাবি করছেন— বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তরের বিকল্পগুলির ক্রমও মূল প্রশ্নের সঙ্গে মিলে গিয়েছে। সূত্রের দাবি, ‘নকল’ প্রশ্নপত্রটি নিট পরীক্ষার দু’দিন আগে সিকারে প্রথম সামনে আসে। শিক্ষার্থীদের কাছে ২০,০০০ থেকে ২ লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হয় তা। পরীক্ষার আগের রাত নাগাদ প্রতিটি কপি প্রায় ৩০,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন:
এসওজি-র তদন্তে ‘নকল’ প্রশ্নের উৎস হিসাবে চুরু-নিবাসী এক এমবিবিএস ছাত্রকে শনাক্ত করা হয়েছে, যিনি বর্তমানে কেরলের একটি মেডিক্যাল কলেজে পাঠরত। অভিযোগ, ১ মে সিকারের এক বন্ধুকে ওই প্রশ্নপত্র পাঠান তিনি, যার পরে তা পিজি আবাসন, কোচিং-সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্ক, কেরিয়ার পরামর্শদাতা এবং পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আরও জানা গিয়েছে, যে ৩০০টি হাতে লেখা প্রশ্ন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে রাজস্থানের সিকারের মেডিক্যাল প্রবেশিকার পরীক্ষার্থীদের মধ্যে, তার ভিতর ১৪০টি প্রশ্ন মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে গিয়েছে। এসওজি খতিয়ে দেখছে বিষয়টি কাকতালীয় নাকি এর পিছনে বড় কোনও চক্র কাজ করছে!
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
