‘বয়কট বয়কট’ নাটকের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। এরপর মনে করা হয়েছিল, আইসিসি’র চাপের মুখে নিজেদের সুর হয়তো নরম করেছে পাকিস্তান। তবে ‘সে গুড়ে বালি’। দল ঘোষণার পর পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, পাক বোর্ড তাদের অবস্থান বদল করেনি।
আরও পড়ুন:
লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের হেডকোচ মাইক হেসনের সঙ্গে আলাপচারিতায় নকভি বলেন, “সরকারের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। সরকার যা বলবে, সেটাই আমরা করব। সরকার যদি বিশ্বকাপে না যাওয়ার কথা বলে, আমরা সেটাই মেনে নেব।” অর্থাৎ তাদের বিশ্বকাপে খেলা না খেলার কথা নকভি পাকিস্তান সরকারের কোর্টে ঠেলে দিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, দল ঘোষণার পর ক্রিকেটারদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন নকভি। সেখানে ইতিমধ্যেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে পিসিবি’র অবস্থান। অর্থাৎ, দল ঘোষণার পরেও পাক সরকার চাইলে তারা যে কোনও মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াতে পারে। পাক বোর্ডের প্রধান মহসিন নকভির ভারতবিরোধী অবস্থান সকলের জানা। বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে আইসিসি জানিয়ে দেওয়ার পরই নকভি বলেছিলেন, “পাকিস্তান সরকার যদি বলে আমরাও খেলতে যাব না। তাহলে আপনারা ২২ নম্বর দল তৈরি রাখুন।”
আরও পড়ুন:
এরপর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ জনের দল ঘোষণা করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। প্রশ্ন হল, পাকিস্তান তড়িঘড়ি দল ঘোষণা করে দেওয়ায় কি ফের ‘বোকা’ হল বাংলাদেশ? আইসিসি বাংলাদেশকে ‘ছাঁটাই’ করতেই ‘প্রত্যাশিত’ অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তান। একপ্রকার হুঙ্কারের সুরে পাক বোর্ডের প্রধান মহসিন নকভি জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া অন্যায়। কিন্তু পিসিবি’র এই ‘হুমকি’কে ভালোভাবে নিচ্ছে না আইসিসি। পাকিস্তান যদি ‘বয়কটে’র কথা ভাবে, তাহলে তাদের উপর দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া হবে। এখন দেখার, পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়।
সর্বশেষ খবর
