তেজস্বীকে দেখে মারমুখি তেজ! আদালতে লালুর দুই পুত্রের মুখোমুখি সাক্ষাতে হুলুস্থুল কাণ্ড

তেজস্বীকে দেখে মারমুখি তেজ! আদালতে লালুর দুই পুত্রের মুখোমুখি সাক্ষাতে হুলুস্থুল কাণ্ড

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রক্তের সম্পর্ক হলেও একে অপরের প্রবল বিরোধী দুই ভাই। বিহার রাজনীতির অলিন্দে সে কথা কারও অজানা নয়। লালুর এহেন দুই পুত্র তেজপ্রতাপ ও তেজস্বী যাদব এবার মুখোমুখি আদালত চত্বরে। যদিও তাঁদের সে সাক্ষাৎ মোটেই মধুর হল না। বরং তেজস্বীকে দেখে মারমুখি হয়ে উঠলেন দাদা তেজ। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিহার রাজনীতিতে।

শুক্রবার দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে ছিল জমির বিনিময়ে চাকরি মামলার শুনানি। সেখানেই উপস্থিত হয়েছিলেন লালুপ্রসাদ যাদবের দুই পুত্র ও কন্যা মিসা ভারতী। মামলার শুনানির পর লিফট ধরে বাইরে আসছিলেন তেজস্বী ও মিসা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সঞ্জয় যাদব। সেই সময়েই নিজের উকিলদের সঙ্গে উলটো দিক থেকে আসছিলেন তেজপ্রতাপ। দু’জনের দেখা হলেও কেউ কাউকে মুখে কিছু বলেননি। তবে তেজস্বী তেজকে কিছু একটা ইশারা করেন এতেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন তেজপ্রতাপ। প্রবল রাগের ছাপ দেখা যায় তাঁর চোখে মুখে। ঘটনার একটি ছবি সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, লিফটের সামনে তেজস্বীর দিকে রাগি চোখে তাকিয়ে রয়েছেন তেজ। তাঁকে সামলাচ্ছেন অন্যান্য আইনজীবীরা। কয়েক সেকেন্ড পর অবশ্য যে যার গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যান।

দাবি করা হচ্ছে, আদালতে সঞ্জয়কে তেজস্বীর সঙ্গে দেখেই মেজাজ হারান তেজপ্রতাপ। মনে করা হয় লালু পরিবারে ভাঙনের নেপথ্যে রয়েছে এই সঞ্জয়। শুরু থেকেই সঞ্জয়ের বিরোধিতায় সরব তেজ। প্রকাশ্যে তাঁকে জয়চাঁদ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। নির্বাচনে হারের পর লালুর অন্য এক কন্যা রোহিণী আচার্যও সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। অভিযোগ করেন, সঞ্জয়ের জন্যই পরিবার ছাড়া হতে হয়েছে তাঁকে। তেজপ্রতাপকে দল থেকে বহিষ্কার করার পাশাপাশি ত্যাজ্যপুত্রও করেছেন লালু।

অবশ্য তেজপ্রতাপ ও তেজস্বীর মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা এই প্রথমবার নয়। বিধানসভা নির্বাচনের সময়েও পাটনা বিমানমন্দরে দেখা গিয়েছিল একইরকম দৃশ্য। সেবার এক ইউটিউবারের সঙ্গে কেনাকাটা করছিলেন তেজ। সেখানে আসেন তেজস্বী। এবং তাঁকে ইঙ্গিত কিছু বলেন, তবে সেবার তেজপ্রতাপ কিছু বলেননি। চুপ থাকেন। সেই ঘটনার ভিডিওটি ভাইরাল হয় সোশাল মিডিয়ায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *