‘তুঝে সালাম’, এসআইআর নোটিস পেয়েই কমিশনকে ‘কুর্নিশ’  হুমায়ুন কবীরের

‘তুঝে সালাম’, এসআইআর নোটিস পেয়েই কমিশনকে ‘কুর্নিশ’ হুমায়ুন কবীরের

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


এসআইআর নিয়ে তীব্র চাপানউতোরের মাঝে ফের এক তৃণমূল বিধায়ককে শুনানির নোটিস। এবার শুনানির ডাক পেলেন ডেবরার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেকথা জানিয়েছেন প্রাক্তন আইপিএস।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার ডিপিএস রুবি পার্ক স্কুলে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে যেতে হবে হুমায়ুন কবীরকে। ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় নাম ছিল না তাঁর। কারণ, সেই সময় ইউরোপে ছিলেন হুমায়ুন কবীর। সে কারণেই নাকি ডাক পেয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। সোশাল মিডিয়া পোস্টে তিনি জানান, এবার আইপিএস হিসাবে নিয়োপত্র এবং পিপিও জমা দেবেন। নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষের সুরে তিনি লেখেন, “এবার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারি কিনা দেখি।” ফেসবুক পোস্টে কমিশনকে ‘কুর্নিশ’ও জানান বিধায়ক।

আরও পড়ুন:

প্রসঙ্গত, শুধু প্রাক্তন আইপিএস তথা বিধায়কই নন। এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছেন ভারতরত্ন নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনও। সাধারণ মানুষের হেনস্তারও কোনও শেষ নেই। এসআইআর প্রক্রিয়ায় আমজনতার হয়রানির প্রতিবাদে সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের শীর্ষ নেতা, মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদে পথেও নামেন তিনি। তাতে সামিল হন সেলিব্রিটিরাও। মিছিল শেষে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘‘নেত্রীর অনুমতি নিয়ে বলছি, একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে দিল্লিতে এক লক্ষ মানুষকে নিয়ে যাব।’’এরপর গত বছরের শেষদিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের এক প্রতিনিধিদল দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আপত্তির কথা তুলে প্রশ্ন করেন। কিন্তু মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সেসব প্রশ্নের জবাব দেননি বলে পরে সংবাদমাধ্যমে দাবি করেন অভিষেক। এদিকে, এসআইআরের কার্যপদ্ধতির জটিলতা ও অমানবিকতার অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মোট পাঁচটি চিঠি লিখেছিলেন জ্ঞানেশ কুমারকে। কোনও চিঠির জবাব এখনও আসেনি। সোমবার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে মমতার সাক্ষাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। আগামিদিনের মানুষের এসআইআর ভোগান্তি লাঘব হয় কিনা, সেটাই দেখার।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *