সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন এগিয়ে গিয়েছে। গায়ের রঙ, সৌন্দর্য নিয়ে ছুঁৎমার্গ আর নেই। তা সত্ত্বেও স্রেফ গায়ের রঙ কালো হওয়ায় বি-টাউনে নাকি হেনস্তার শিকার জনি লিভারকন্যা জ্যামি লিভার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকার ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা জানান।
বলেন, “গায়ের রঙ কালো হওয়ায় অনেক কথা শুনতে হয়েছে। অনেকেই বলেছেন, ডাইনির মতো দেখতে সিনেদুনিয়ায় কাজে পাব না। কেউ বলেছেন, মরে যাচ্ছো না কেন?” আবার অনেকে গায়ের রঙ নিয়ে খোঁটা না দিলেও রূপচর্চার নানা পরামর্শ দিতেন। বলতেন, “ফর্সা হওয়ার জন্য হলুদের মাস্ক লাগাতে। আমাদের দেশে গায়ের রঙ একটা বড় সমস্যা।” একঘেয়ে এই কথা শুনতে শুনতে একসময় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। বলেন, “আমার জীবনে একটা পর্যায় ছিল যে সময় আমি লং কুর্তির মাধ্যমে গোটা শরীর ঢেকে বেরনোর চেষ্টা করতাম। কারণ, আমার নিতম্ব বেশ বড়। আমি নিজেকেও পছন্দ করতাম না। আমার কাছে আমার শরীরই ছিল লজ্জার কারণ। বহুদিন পর আমার শরীরকে ভালোবাসতে শিখি।” মায়ের জন্য শরীরচর্চা করে তিনি রোগা হয়েছেন বলেও জানান।
স্কুলজীবনে কীভাবে যৌন হেনস্তার শিকার হন, সেকথাও সাক্ষাৎকারে শেয়ার করেন জ্যামি। জানান, “একদিন স্কুল থেকে ফেরার সময় গাড়িতে বসে দাদার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। সঙ্গে ছিল এক বন্ধু। আমরা কথা বলছিলাম। আচমকা আমাদের বিপরীতে বেশ কয়েকজন আসে। আমাদের দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করে। সেই প্রথমবার আমি পুরুষাঙ্গ দেখি। কিন্তু আমি এতটাই ছোট ছিলাম বুঝতে পারিনি ওরা কী করছে। তাই আমি বোকার মতো দেখছিলাম। বন্ধু দেখতে বারণ করে। তারপর নজর সরিয়ে ওর সঙ্গে কথা বলতে শুরু করি।” স্কুলে যাতায়াতের পথে বাস কন্ডাক্টরও বহুবার তাঁকে অশ্লীলভাবে স্পর্শ করে বলেও দাবি জনি লিভারকন্যার। তবে এখন আর কারও কথায় কোনও পাত্তা দেন না বলেই সাফ জানান জ্যামি।
