সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই মুহূর্তে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। বিপক্ষ বোলারদের কাছে এখন রীতিমতো ত্রাস তিনি। এশিয়া কাপে সুপার ফোরে বাংলাদেশ ম্যাচেও এ কথাই প্রমাণ হল। পদ্মাপাড়ের দেশের বোলারদের একেবারেই রেয়াত করলেন না ‘শর্মা জি কা বেটা’। কিন্তু তাঁর ঝোড়ো ইনিংসের দিনে ব্যর্থ ভারতীয় মিডল অর্ডার। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সামনে ১৬৯ রানের লক্ষ্য রাখল টিম ইন্ডিয়া।
বুধবার টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক। চোট পাওয়ায় ছিটকে গিয়েছেন লিটন দাস। তাঁর জায়গায় বাংলাদেশের নেতৃত্বে জাকের আলি। শুরু থেকেই টিম ইন্ডিয়ার দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা এবং শুভমান গিল ঝড়ের গতিতে শুরু করেন। ওপেনিং পার্টনারশিপে ওঠে ৭৭ রান। ১৯ বলে ২৯ রানে রিশাদ হোসেনের বলে আউট হন গিল।
এদিন তিন নম্বরে নামানো হয় শিবম দুবেকে। যদিও উপরে ব্যাট করার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। মাত্র ২ রানে আউট হন তিনি। এরপর নিজের ভুলে রান আউট হয়ে সেঞ্চুরি হাতছাড়া করলেন অভিষেক। ৩৭ বলে ৭৫ রানের মারকাটারি ইনিংস খেলেন বাঁ-হাতি ওপেনার। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৬টি চার, ৫টি ছক্কা দিয়ে।
অভিষেক ফিরতেই ভারতের রানের গতিও কমে যায়। এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে লড়াইয়ে ফেরে বাংলাদেশ। আবারও ব্যর্থ হন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব (৫)। ওয়াইড বলে পুল মারতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। রান পেলেন না তিলক বর্মাও (৫)। বিনা উইকেটে ৭৭ থেকে পরের ৩৭ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে কিছুটা হলেও চাপে পড়ে যায় ভারত। তবে, হার্দিক পাণ্ডিয়া (৩৮) এবং অক্ষর প্যাটেল (১০) মিলে ভারতকে ১৬৮ রানে পৌঁছিয়ে দেন। তবে, সঞ্জু স্যামসনের মতো ক্রিকেটারকে ব্যাট করতে না পাঠানো নিয়েও গম্ভীর এবং সূর্যকুমারের রণনীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ হাসান নেন ২ উইকেট। মুস্তাফিজুর রহমান, মহম্মদ সাইফুদ্দিন, তানজিম হাসান সাকিবের শিকার একটি করে উইকেট।
