‘জ্ঞানেশ কুমার গ্রেপ্তার হবেনই’, তোপ অভিষেকের, শুভেন্দুর পালটা, ‘ডায়মন্ড হারবারে দাঁড়ান’

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে দীর্ঘ প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পুলিশের জেরার মুখোমুখি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, বুধবার সকালে শেক্সপিয়র সরণি থানার মুখোমুখি হন তিনি। কিন্তু থানা থেকে বেরিয়েই এদিন ফের একবার বিজেপিকে কড়া আক্রমণ শানান অভিষেক। শুধু তাই নয়, নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নেন। অভিষেক বলেন, ”তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমার নিজেই ফ্রিজ হয়ে যাবেন। জ্ঞানেশ কুমার গ্রেপ্তার হবেনই। উনি বিজেপি সরকারের প্রাণভোমরা। তাই তাঁকে বাঁচাতে মোদি-শাহর এত তোড়জোড়। দেশের মানুষ এঁদের একসঙ্গে সকলকে বিদায় করবেন। জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত করতে হবে। তাহলেই আসল তথ্য বেরিয়ে আসবে।” এরপরই নবান্নে এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অভিষেককে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘বাবার নাম ঠিক থাকলে ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে আরও একবার দাঁড়াতে বলুন। এখনও তো সাংসদ আছেন।’’ বাম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের সমাজমাধ‌্যমের পোস্ট কাণ্ডে আগেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন শুভেন্দু। এদিন সে প্রসঙ্গে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ‘‘হিন্দুত্ববাদী বলে সমগ্র হিন্দু সমাজকে অপমান করেছেন তিনি। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

দেশজোড়া আন্দোলন প্রসঙ্গে অভিষেকের টিপ্পনী, ‘‘জ্ঞানেশ বিজেপির প্রাণভোমরা। ওঁকে না বাঁচালে সীমা খান্না, মনোজ আগরওয়াল থেকে সুব্রত গুপ্ত–সবাই একে একে ডুববেন। কারণ সারা দেশজুড়ে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে তা তৃণমূল বা কংগ্রেস, আম আদমি পার্টির নয়, মানুষের।”

আরও পড়ুন:

পুরসভার ভূমিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে এদিন অভিষেক বলেন, “শুধুমাত্র অভিযোগ করলেই হবে না। নোটিস না দিয়ে কোনও ডিমোলিশন হয় না, এটা কেএমসির নিজের আইনে রয়েছে। আর পুরসভা আমাকে নোটিস দেয়নি।” তাঁর প্রশ্ন, “সেদিন সারা ক্যামাক স্ট্রিটে পুরসভার অভিযান হয়েছিল, কটা বিলবোর্ড খোলা হয়েছে?” বিজেপি সরকার ভয় পাচ্ছে দাবি করে অভিষেক বলেন, “খালি তৃণমূল কংগ্রেসের বিলবোর্ড খোলা হবে? তৃণমূল কংগ্রেসের যদি কিছু না থাকে, তাহলে এত ভয় কেন পাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী? ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে শুরু করে তৃণমূলের সিম্বল ফ্রিজ, পার্টি অফিস ভাঙা, বিলবোর্ড খোলা, দলের নেতাকর্মীদের জেলে ঢোকানোর পরও এঁদের রাতে ঘুম আসছে না কেন?”

জ্ঞানেশ কুমার প্রসঙ্গ এবং দেশজোড়া আন্দোলন প্রসঙ্গে অভিষেকের টিপ্পনী, ‘‘জ্ঞানেশ বিজেপির প্রাণভোমরা। ওঁকে না বাঁচালে সীমা খান্না, মনোজ আগরওয়াল থেকে সুব্রত গুপ্ত–সবাই একে একে ডুববেন। কারণ সারা দেশজুড়ে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে তা তৃণমূল বা কংগ্রেস, আম আদমি পার্টির নয়, মানুষের।” এদিকে অভিষেককে নিশানা করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে গিয়ে গ্রামের মানুষের সামনে বলুন। কোচবিহার থেকে কলকাতার ফাঁকা রাস্তায় হেঁটে বলুন এসব কথা। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সম্পূর্ণ পুলিশি নিরাপত্তা দেবে। পশ্চিমবঙ্গের কোনও বিচ্ছিন্ন গ্রামে দাঁড়িয়ে এই বক্তব্য রেখে আসুন।’’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *