‘জুবিনের মৃত্যুকে কাজে লাগিয়ে অসমকে নেপাল বানাতে চাইছে’, বিস্ফোরক হিমন্ত

‘জুবিনের মৃত্যুকে কাজে লাগিয়ে অসমকে নেপাল বানাতে চাইছে’, বিস্ফোরক হিমন্ত

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিখ্যাত গায়ক জুবিন গর্গের মৃত্যু ঘিরে রহস্যের কুয়াশা কাটছেই না। নানা রকম ষড়যন্ত্র তত্ত্ব উঠে আসছে। এবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। জানিয়ে দিলেন, জুবিন গর্গের মৃত্যু নিয়ে যাঁরাই মানুষকে উসকানোর চেষ্টা করবেন তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হবে।

প্রসঙ্গত, সিঙ্গাপুরে নর্থ-ইস্ট ফেস্টিভ্যালে যোগ দিতে গিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর সাঁতার কাটার সময়ে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় জুবিনের। বিদেশের মাটিতে অসমের ভূমিপুত্রের এহেন আকস্মিক প্রয়াণে অনেকেই ষড়যন্ত্রের আঁচ পেয়েছেন! তার ভিত্তিতেই মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নির্দেশে জুবিন গর্গের মৃত্যুতদন্তের জন্য সম্প্রতি ‘সিট’ও গঠন করে অসম সরকার। শুরু হয়েছে গ্রেপ্তারিও। কিন্তু এবার এই ইস্যুতে উসকানির অভিযোগও তুললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। হিমন্তর কথায়, ”কিছু মানুষ অসমকে নেপালে পরিণত করতে চাইছে। আমরা তাদের ছাড়ব না।”

তাঁর কথায় উঠে এসেছে কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ-এর নামও। গৌরবের সঙ্গে পাকিস্তান এবং পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের যোগাযোগের অভিযোগ আগেই উঠেছিল। সোমবার হিমন্তের হাতে এসেছে সেই তদন্তের রিপোর্ট। প্রাথমিকভাবে ওই রিপোর্টটিকে ‘মারাত্মক’ ও ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। এদিকে এদিন এই বিষয়েও গৌরবের নামোল্লেখ করে বলেছেন, ”আমি নিশ্চিত গৌরব গগৈকেও এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। যেভাবে আমরা সিএএ-বিরোধী আন্দোলনে মামলা করেছি, সেভাবেই এক্ষেত্রেও করা হবে। কেউ ছাড় পাবে না।”

প্রসঙ্গত গৌরব এর আগে বলেছিলেন, ”অসমের মানুষ চায় সরকার জুবিন গর্গের মৃত্যুর নেপথ্যে থাকা কারণ খুঁজে বের করুক। দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল, মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে তদন্তে বাধা দিচ্ছেন। জুবিন গর্গের মৃত্যুর বিষয়ে আমাদের উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে, তিনি এমন কিছু তথ্য প্রকাশ করছেন যা মৃত ব্যক্তি এবং তাঁর আশপাশের লোকদের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। অসমের মানুষ হিমন্ত বিশ্বশর্মার কাছ থেকে নীতিশাস্ত্রের জ্ঞান শুনতে চায় না। মানুষ কেবল চায় জুবিন গর্গের মৃত্যুর পিছনের সত্য বেরিয়ে আসুক।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *