‘জনাদেশ ৫ বছরের জন্য’, কর্নাটকে ‘কুর্সিযুদ্ধে’র মাঝে শিবকুমারকে ‘প্রতিজ্ঞা’ মনে করালেন সিদ্দা

‘জনাদেশ ৫ বছরের জন্য’, কর্নাটকে ‘কুর্সিযুদ্ধে’র মাঝে শিবকুমারকে ‘প্রতিজ্ঞা’ মনে করালেন সিদ্দা

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রী বদল নিয়ে ডামাডোলের মধ্যেই বড়সড় মন্তব্য করলেন সিদ্দারামাইয়া। সাফ জানিয়ে দিলেন, জনাদেশ আসলে পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব দেয়। সেইসঙ্গে ডেপুটি ডিকে শিবকুমারকে খানিকটা খোঁচা দিয়ে বর্ষীয়ান নেতার মত, প্রতিজ্ঞার কোনও দাম নেই যদি না সেটা মানুষের জন্য উন্নত পৃথিবী গড়ে তুলতে পারে।

বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বিবাদমান দুই নেতাকেই দিল্লিতে তলব করেন। একই সঙ্গে কর্নাটকের আরও জয়েকজন প্রথম সারির নেতাকে তলব করেছেন কংগ্রেস সভাপতি। মনে করা হয়, রাজ্যের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং রাহুল গান্ধী। ওই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। সেই বৈঠকের পরেই নতুন করে ‘বাগযুদ্ধ’ শুরু হয় সিদ্দা এবং শিবকুমারের মধ্যে।

শিবকুমার একটি অনুষ্ঠানে বলেন, “কথায় বলে, প্রতিজ্ঞার ক্ষমতা খুবই শক্তিশালী। কথা দিয়ে কথা রাখার ক্ষমতা থাকলে সে অত্যন্ত শক্তিশালী।” এই মন্তব্যেরই পালটা খোঁচা দিয়েছেন সিদ্দারামাইয়া। লিখেছেন, ‘প্রতিজ্ঞা যদি মানুষের উন্নতিতে কাজ না করে তাহলে সেই কথার কোনও শক্তি নেই। কর্নাটকের মানুষ যে রায় দিয়েছেন, সেটা পাঁচ বছরের জন্য প্রযোজ্য। তাই কর্নাটককে আমরা যে কথা দিয়েছি, সেটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

উল্লেখ্য, দু’বছর আগে বিপুল জনাদেশ নিয়ে কর্নাটকে ক্ষমতায় ফেরে কংগ্রেস। তখন থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি নিয়ে আড়াআড়ি ভাগ হয় দুই শিবির। একদিকে প্রবীণ নেতা ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। অন্যদিকে উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। কিন্তু সকলেই একবাক্যে মেনে নেন, কংগ্রেসের ক্ষমতায় ফিরে আসার পিছনে শিবকুমারের ভূমিকা ছিল অন্যতম। তারপরও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসানো হয় সিদ্দারামাইয়াকে। শোনা যায়, সেই সময় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত ছিল আড়াই বছর করে মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকবেন সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমার। সেই আড়াই বছর পূর্ণ হয়েছে বর্তমান কর্নাটক সরকারের। এদিকে সিদ্দারামাইয়া ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি সরতে রাজি নন। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত চরম আকার নিয়েছে। সেই সংঘাতের মধ্যেই ইঙ্গিতবাহী বার্তা দুই নেতার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *