জটিল রক্তরোগের চিকিৎসায় বোন ম্যারো প্রতিস্থাপনের জন্য বিশেষ সম্মান পেলেন বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট, হেমাটো-অঙ্কোলজিস্ট ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট বিশেষজ্ঞ ডা. রজত ভট্টাচার্য। সম্প্রতি মহাজাতি সদনের অ্যানেক্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘ডা. শচীপ্রসাদ ভট্টাচার্য স্মারক সম্মান ২০২৬’ তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে।
লিউকেমিয়া-সহ বিভিন্ন জটিল রক্তরোগের চিকিৎসায় বোন ম্যারো বা অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। বিশেষ করে যে সব রোগীর ক্ষেত্রে স্বাভাবিক রক্তকণিকা তৈরির প্রক্রিয়া গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়, তাঁদের চিকিৎসায় স্টেম সেল বা বোন ম্যারো প্রতিস্থাপন নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিতে পারে। তবে উপযুক্ত দাতা পাওয়া এবং রোগীর শরীরের সঙ্গে প্রতিস্থাপিত কোষের সামঞ্জস্য বজায় রাখা এই চিকিৎসার ক্ষেত্রে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। পূর্ব ভারতে হ্যাপলো-আইডেন্টিক্যাল বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকারই স্বীকৃতি পেলেন ডা. রজত ভট্টাচার্য।
আরও পড়ুন:
ডা. রজত ভট্টাচার্য বলেন, “হ্যাপলো-আইডেন্টিক্যাল প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে পরিবারের এমন কোনও সদস্য, যাঁর সঙ্গে রোগীর অর্ধেক জেনেটিক মিল রয়েছে, তাঁর কাছ থেকেও স্টেম সেল নেওয়ার সুযোগ থাকে। ফলে সম্পূর্ণ জেনেটিক মিল থাকা দাতা না পাওয়া গেলেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চিকিৎসার পথ তৈরি হতে পারে।” পিকনিক গার্ডেন লীলা সেবা সোসাইটির সম্পাদক ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. সৌম্য ভট্টাচার্য বলেন, “এই পদ্ধতি বোন ম্যারো প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে দাতার সুযোগ আরও বাড়িয়েছে, যা বর্তমান সময়ে খুবই উপযোগী।”
শুধু চিকিৎসা বিজ্ঞান নয়, নতুন প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চার আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যেও অনুষ্ঠানে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে আয়োজন করা হয় আন্তঃবিদ্যালয় বিজ্ঞান কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২৬। বিজ্ঞানভিত্তিক এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্কুলপড়ুয়াদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা এবং গবেষণার প্রতি আগ্রহ তৈরি করারও বার্তা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
