গ্রন্থই ‘ব্রহ্মাস্ত্র’! পুজোয় বামেদের বুকস্টল ভাঙচুরের প্রতিবাদে মিছিলের ডাক বইপ্রেমীদের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


গ্রন্থই বড় হাতিয়ার! শুধু শিক্ষার আলো নয়, প্রতিবাদেরও অস্ত্র বই। আর শারদোৎসবে রাজ্যজুড়ে বামপন্থীদের সেই বই বিক্রির স্টলেই হামলা, ভাঙচুর হয়েছে। কোথাও কোথাও অগ্নিসংযোগের অভিযোগও উঠেছে। এনিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বেড়েছে। উৎসবের আবহে বইয়ের উপর এই আক্রমণের প্রতিবাদে এবার পথে নামছেন বইপ্রেমীরা। আগামী ২৯ তারিখ, বৃহস্পতিবার, কলকাতার কলেজ স্ট্রিট থেকে শুরু হবে মিছিল। ‘বইয়ের জন্য হাঁটুন’ নামে কর্মসূচিতে হাতে গ্রন্থ নিয়ে শামিল হওয়ার জন্য রাজ্যের সমস্ত বইপ্রেমীকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

‘বইয়ের জন্য হাঁটুন’ কর্মসূচির ডাক বইপ্রেমীদের

আরও পড়ুন:

আয়োজকদের দাবি, শারদ উৎসবের সময় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বামপন্থীদের প্রায় তিনশো বুক স্টলে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও আবার আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। বই বিক্রির স্টলকে কেন্দ্র করে একের পর এক এমন ঘটনা শুধু রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার পরিচয় নয়, মুক্তচিন্তা ও সাংস্কৃতিক পরিসরের উপরেও আঘাত বলে মনে করছেন প্রতিবাদীরা। তাঁদের বক্তব্য, মতাদর্শের বিরোধিতা থাকতে পারে, কিন্তু বই ও জ্ঞানচর্চার উপর আক্রমণ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এই পরিস্থিতিতে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে বইকেই সামনে রাখতে চাইছেন কমরেডকুলের নেতারা।

আয়োজকদের আহ্বান, বইয়ের উপর হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এবং মুক্তচিন্তা ও সাংস্কৃতিক পরিসর রক্ষার দাবিতেই পথে নামছেন তাঁরা। সবাইকে তাঁদের কর্মসূচিতে শামিল হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। বই শুধু পণ্য নয়, তা মানুষের চিন্তা, মনন ও প্রতিবাদের অন্যতম হাতিয়ার। সেই বইয়ের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ে বৃহত্তর নাগরিক সমাজকে শামিল করা এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

কলেজ স্ট্রিট থেকে শুরু হতে চলা মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেককে একটি করে বই সঙ্গে আনার আবেদন জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, শুধু স্লোগান নয়, হাতে বই নিয়েই পথে হাঁটবেন প্রতিবাদীরা। বই পড়া, বই প্রকাশ ও বই বিক্রির স্বাধীনতা রক্ষার বার্তাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর মতে, বাঙালির সঙ্গে বইয়ের সম্পর্ক আত্মার মতো। বইয়ের উপর আক্রমণ কখনওই মেনে নেওয়া হয়নি। এ প্রসঙ্গে পুরনো জার্মানির স্বৈরশাসক অ্যাডলফ হিটলারের পরিণতির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন সুজন চক্রবর্তী। তাঁর মতে, বই পোড়ানোর ফল ভোগ করতে হয়েছিল হিটলারকে। এখন যারা সেই কায়দায় বইয়ের উপর আক্রমণ নামিয়ে আনছেন তাদের ভবিষ্যৎ পরিণতি ভয়ংকর হবে।

আয়োজকদের আহ্বান, বইয়ের উপর হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এবং মুক্তচিন্তা ও সাংস্কৃতিক পরিসর রক্ষার দাবিতেই পথে নামছেন তাঁরা। সবাইকে তাঁদের কর্মসূচিতে শামিল হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। বই শুধু পণ্য নয়, তা মানুষের চিন্তা, মনন ও প্রতিবাদের অন্যতম হাতিয়ার। সেই বইয়ের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ে বৃহত্তর নাগরিক সমাজকে শামিল করা এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *