গুটখার পিকে লালে লাল সুপ্রিম কোর্ট, নেশাড়ুদের বাড়বাড়ন্ত রুখতে জারি নির্দেশিকা

গুটখার পিকে লালে লাল সুপ্রিম কোর্ট, নেশাড়ুদের বাড়বাড়ন্ত রুখতে জারি নির্দেশিকা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


লাল রঙে রাঙিয়ে উঠেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এ রং সাধারণ রং নয়, গুটখার পিক। গোটা আদালত চত্বর ভরে রয়েছে গুটখার থুতুতে। তারই পাশ থেকে হেঁটে যাচ্ছেন বিচারপতি, আইনজীবী থেকে বিচার প্রার্থীরা। গা ঘিনঘিনে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার সক্রিয় হল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। গুটখামুখে আদালত চত্বর নোংরা করা এইসব নেশাড়ুদের উদ্দেশে জারি হল নির্দেশিকা।

আরও পড়ুন:

শীর্ষ আদালতের তরফে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, ‘এমনটা দেখা গিয়েছে আদালতে আসা ব্যক্তিদের অনেকেরই পানমশলা, গুটখা ও তামাক চিবোনোর অভ্যাস রয়েছে। এবং তাঁরা আদালত পরিসরের দেওয়ালের কোনা, ওয়াশবেসিন এবং পানীয় জলের জায়গায় থুথু ফেলছেন। এই বদ অভ্যাসের জেরে আদালত চত্বর নোংরা হওয়ার পাশাপাশি জল নিকাশি ব্যবস্থাও ব্যহত হচ্ছে।’ শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ঝুঁকির কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে আদালত।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘এভাবে থুতু ফেলার অভ্যাসের জেরে সংক্রমণের ঝুঁকিও তৈরি হয়। অন্যান্য যারা আদালতে আসেন তাঁদের জন্যও এই ঘটনা সমস্যার কারণ। অতএব, যারা এই ধরনের নেশায় অভ্যস্ত তাঁদের কাছে অনুরোধ আদালত চত্বরে পান মশলা, গুটখা বা তামাক জাতীয় পণ্য সেবন করবেন না ও থুতু ফেলবেন না। সকলের কাছে অনুরোধ আদালত পরিসর পরিষ্কার রাখতে সহযোগিতা করুন।’

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, গুটখা সমস্যায় জর্জরিত দেশ। রেল স্টেশন, বিমানবন্দর থেকে ব্রিজ, সড়ক সর্বত্র গুটখাপ্রেমীদের ভালোবাসার লাল নিশান। ২০২৩ সালের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল যাত্রীদের পান-গুটখার পিক পরিষ্কারে প্রতি বছর রেলের খরচ হয় প্রায় ১২০০ কোটি টাকা। চাঞ্চল্যকর আরও একটি সমীক্ষা বলছে, গ্রামীণ পরিবারগুলো তাদের মোট ব্যয়ের মাত্র ২.৫% শিক্ষা খাতে খরচ করে, অথচ ৪% ব্যয় হয় তামাকজাত পণ্যে, যার বড় অংশই গুটখা। এই পরিস্থিতিতে লাগাম টানতে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তামাকজাত পণ্যের দাম বাড়িয়েছে সরকার। তাতে অবশ্য খুব বিশেষ পরিবর্তন এখনও চোখে পড়েনি।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *