‘গা থেকে গয়না খুলে ফেলেন’, মধ্যরাতে মা লক্ষ্মীকে সাজাতে গিয়ে অলৌকিক ঘটনা জানালেন অপরাজিতা আঢ্য

‘গা থেকে গয়না খুলে ফেলেন’, মধ্যরাতে মা লক্ষ্মীকে সাজাতে গিয়ে অলৌকিক ঘটনা জানালেন অপরাজিতা আঢ্য

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিবছর ধুমধাম করে নিজের বেহালার বাসভবনে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো করেন অপরাজিতা আঢ্য। নিজে হাতে প্রতিমা সাজান। ভোগ রাঁধার পুরোভাগে থাকেন। আর টেলিপর্দার ‘লক্ষ্মী কাকিমা’র লক্ষ্মীপুজো মানেই এলাহি আয়োজন। নিজে হাতে যে মূর্তি গড়ে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই প্রতিমাকেই একেকবছর একেক সাজে সাজান অভিনেত্রী। এবারও কাজ, শুটিংয়ের ব্যস্ততার সামলে রাত-বিরেতে মা লক্ষ্মীর পোশাক কিনতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়েই মহাফাঁপড়ে পড়তে হয় অপাকে! কেন?

রাত আড়াইটের সময় মাকে সাজাতে সাজাতে সেই ঘটনাই ভাগ করে নিলেন অনুরাগীদের সঙ্গে। আসলে ফি বছর যেখান থেকে মায়ের পোশাক, সাজশৃঙ্গারের জিনিসপত্র কিনে আনেন, বৃষ্টিতে সেই দোকানের বেশিরভাগ অংশই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। দোকানদার তাঁকে সেকথা জানালেও কোনও উপায় ছিল না। কারণ তখন অনেক রাত। বেহালায় ফিরে আর কোনও দোকান খোলা পাবেন না তিনি। অগত্যা সেই দোকানেই ‘খড়ের গাদার মধ্যে সূচ খোঁজা’র মতো চলতে থাকে দেবীর পোশাক খোঁজা। শেষমেশ জরির কাজ করা গোলাপি একটি লেহেঙ্গা খুঁজে পান অপরাজিতা। আর সেই পোশাকেই মা লক্ষ্মীকে এবার ‘রাধারানী’ রূপে। সোনার মুকুট, অলঙ্কারে আভূষিতা দেবীর থেকে চোখ ফেরানো দায়।

Aparajita-1
ছবি: ফেসবুক

অপরাজিতা জানালেন, “মা লক্ষ্মীর অসুবিধে হলে, নিজেই সেই গয়না গা থেকে খুলে ফেলেন। সেটা আর পরাই না। আর যে গয়না পছন্দ। সেটা অনায়াসেই মাকে পরানো যায়।” এবার পুজোর আয়োজন কেমন? টেলিপর্দার ‘লক্ষ্মী কাকিমা’ জানালেন, শাশুড়ি একপ্রস্থ ঠাকুরঘর পরিষ্কার করেছেন। এলোঝেলো থেকে নারকেল নাড়ু, সবটাই তিনি নিজে হাতে বানিয়েছেন। কোভিজের পর থেকে আর নির্জলা উপবাস রাখেন না তাঁরা। ফল, ছাতুর শরবৎ খেয়ে পুজো কাজ সারেন। কারণ অপরাজিতার বিশ্বাস, মনের ভক্তিই আসল। মন শুদ্ধ তো সব শুদ্ধ। ভোগে কী কী থাকছে? খিচুড়ি, পোলাও, ভাজা, রকমারি তরকারি, চাটনি, মিষ্টি রয়েছে। মায়ের পাশাপাশি অপরাজিতাও এবার নিজের জন্য সোনার গয়না কিনেছেন বলে জানা গেল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ







Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *