গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল! পাঁচদিন পর কাকদ্বীপে খোঁজ মিলল শংকরপুরের ১৫ মৎস্যজীবীর

গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল! পাঁচদিন পর কাকদ্বীপে খোঁজ মিলল শংকরপুরের ১৫ মৎস্যজীবীর

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


অবশেষে খোঁজ মিলল নিখোঁজ ট্রলারের। চলতি মাসের শুরুতেই শংকরপুর থেকে মাছ ধরতে গভীর সমুদ্রে যান ১৫ জন মৎস্যজীবী। কিন্তু ৬ জুলাই থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছিল না। যা নিয়ে ক্রমশ উদ্বেগ বাড়ছিল। অবশেষে পাঁচদিন পর খোঁজ মিলল ট্রলারের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের বাঘেরচর এলাকায় খোঁজ পাওয়া যায় ওই ট্রলারটির। শুধু তাই নয়, ট্রলারে থাকা ১৫ জন মৎস্যজীবীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে জল ঢুকে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। সেই কারণেই মাঝসমুদ্রে আটকে পড়ে ট্রলারটি। ইতিমধ্যে মৎস্যজীবীদের উদ্ধারে পাঠানো হয়েছে একটি লঞ্চ।

গত ২ জুলাই শংকরপুর থেকে রওনা হয়েছিলেন ১৫ জন মৎস্যজীবী। নির্দিষ্ট সময়ে ট্রলারটির ফেরার কথা থাকলেও সেটি বন্দরে ফেরত আসেনি। এমনকী ট্রলারে থাকা ১৫ জন মৎস্যজীবী কারোর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না।

আরও পড়ুন:

শংকরপুর ফিশারম্যান ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশ রঞ্জন নায়ক জানিয়েছেন, “শনিবার সকালে নিখোঁজ ট্রলারটির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। জিপিএস সিগন্যালও পাওয়া গিয়েছে। ট্রলারে থাকা সব মৎস্যজীবী সুস্থ রয়েছেন।” স্বদেশবাবুর কথায়, ইঞ্জিনে জল ঢুকে বিকল হয়ে যাওয়ায় ট্রলারটি আটকে পড়েছিল। প্রশাসনের তৎপরতায় ট্রলারটির খোঁজ মিলেছে। এজন্য প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

বলে রাখা প্রয়োজন, বর্ষার মরশুম শুরু হতেই গভীর সমুদ্রে মাঝ ধরতে বেরিয়ে পড়েন মৎস্যজীবীরা। তেমনই গত ২ জুলাই শংকরপুর থেকে রওনা হয়েছিলেন ১৫ জন মৎস্যজীবী। নির্দিষ্ট সময়ে ট্রলারটির ফেরার কথা থাকলেও সেটি বন্দরে ফেরত আসেনি। এমনকী ট্রলারে থাকা ১৫ জন মৎস্যজীবী কারোর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। স্বভাবতই উদ্বেগ বাড়ছিল। পুরো ঘটনা পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়। এমনকী কোস্ট গার্ডও ট্রলারটির খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। অবশেষে ট্রলারটির খোঁজ পাওয়ায় স্বস্তি শংকরপুর বন্দরে। স্বস্তি ফিরেছে পরিবারগুলিতে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *