সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের দরজা বন্ধই থাকবে আপাতত। ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্যাম্পাসের দরজা বন্ধ থাকবে বলে জানাল কর্তৃপক্ষ। পঠন-পাঠন সহ সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যেই সব পড়ুয়াদের বলা হয়েছে হস্টেল ছাড়তে। বৃহস্পতিবার নোটিস দিয়ে কলেজ বন্ধ রাখার সময়সীমা বাড়ানোর কথা জানিয়ে দেওয়া হল।
বহিরাগত ছাত্রদের সংঘর্ষের জেরে দফায় দফায় খবরের শিরোনামে এসেছে এই প্রতিষ্ঠান। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসের ভেতরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের সদস্যদের একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ বন্ধ হয়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবিতে ক্লাস বয়কট শুরু হয়। ৪ অক্টোবর ক্যাম্পাসের গেটের বাইরে অন্য একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এই ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয় পাঠদান। হোস্টেলে থাকা শিক্ষার্থীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্যাম্পাস ছাড়ার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়। বন্ধ থাকে মেস পরিষেবাও। বহিষ্কৃত ছাত্রদের বিরুদ্ধে উপাচার্য সন্তোষ আজমেরা এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের উপর শারীরিক নিগ্রহ, উপাচার্যের কার্যালয় ভাঙচুর এবং ক্যাম্পাসের দেওয়ালে আপত্তিকর দেওয়াল লিখন বা গ্রাফিতি আঁকার অভিযোগ। সব মিলিয়ে এসআরএফটিআই-এ পড়ুয়া-কর্তৃপক্ষ সংঘাত চরমে ওঠে।
আরও পড়ুন:
পুজোর সময়ও ক্যাম্পাসে ঘিরে রেখেছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ছাত্রদের আন্দোলন বন্ধ করতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, ছাত্রদের দাবি উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হবে। সংঘাতের জেরেই ক্যাম্পাস বন্ধ করতে বাধ্য হল কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়েছে, স্থিতাবস্থা ফিরলে ফের ক্যাম্পাস চালু করা হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
