কোটি কোটি টাকা লভ্যাংশের থেকে পকেটে মাত্র ১.৫ লাখ! ইন্ডাস্ট্রির কঠিন সত্য ফাঁস করলেন আমাল মালিক

কোটি কোটি টাকা লভ্যাংশের থেকে পকেটে মাত্র ১.৫ লাখ! ইন্ডাস্ট্রির কঠিন সত্য ফাঁস করলেন আমাল মালিক

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


তেলেঙ্গানার ‘গদ্দর ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’-এর অনুষ্ঠানে গান গেয়ে সংগীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষালের প্রাপ্তি নামমাত্র পারিশ্রমিক! সোশাল মিডিয়ায় টাকার অঙ্ক প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ভক্তরা। যে বিলের ‘স্ক্রিনশট’ ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে সেখানেই দেখা যাচ্ছে শ্রেয়া ওই অনুষ্ঠানের জন্য পারিশ্রমিক নিয়েছেন মাত্র ১.৬ কোটি টাকা। চর্চার মাঝে প্রকাশ্যে আরও এক কঠিন সত্য। স্বল্প পারিশ্রমিক নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির রূঢ় বাস্তব প্রকাশ্যে আনলেন সুরকার আমাল মালিক।

আরও পড়ুন:

আমাল মালিক বলেন, “দশ লাখে তৈরি গানের আয় ১০০ কোটি কিন্তু, রয়্যালটি ছাড়া আমাদের দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ লক্ষ।টিমের সদস্য, স্টুডিও, খরচ মেটানোর পর তাঁর হাতে ছিল মাত্র ৭৫ হাজার থেকে ১.৫লক্ষ।”

অভিযোগ, একটি গান যতই মোটা অঙ্কের টাকা আয় করুক না কেন সাফল্যের নেপথ্য যাঁরা থাকেন তাঁদের পারিশ্রমিক নগণ্যই। রণবীর কাপুর ও জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ অভিনীত ‘রয়’ ছবির ‘সূরজ ডুবা হ্যায়’ গানটি দারুণ সাড়া ফেলেছিল। গানের মোট আয় ১০০ কোটি। আর আমালের প্রাপ্তি হয়েছিল মাত্র ১.৫ লক্ষ টাকা! সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমাল বলেন, “গানটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল প্রায় আট থেকে ১০ লক্ষ টাকা। আর তিনি পেয়েছিলেন আট লক্ষ টাকা। কিন্তু, গত দশ-বারো বছরে গানটি আয় করেছে প্রায় ৬৫ থেকে ১০০ কোটি। দশ লক্ষে তৈরি গানের আয় ১০০ কোটি। কিন্তু রয়্যালটি ছাড়া আমাদের দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ লক্ষ।”

নিজের আয়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, টিমের সদস্য, স্টুডিও, খরচ মেটানোর পর তাঁর হাতে ছিল মাত্র ৭৫ হাজার থেকে ১.৫ লক্ষ টাকা। বাকিটা লেবেলের দখলে। প্রসঙ্গত, ২০২০ সাল থেকে রয়্যালটি সিস্টেম চালু হয়েছে। জাভেদ আখতার এই রয়্যালটি সিস্টেম কার্যকরী করতে অনেক লড়াই করেছেন। কিন্তু, আজও গানের ‘মাস্টার রাইটস’ মূলত ‘মিউজিক লেবেল’-এর কাছেই থাকে।

২০১২ সালে এই কপিরাইট অ্যাক্ট পাশ করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। এই আইনের উদ্দেশ্য ছিল গীতিকার, সুরকার এবং অন্যান্য সৃষ্টিশীল ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষিত করা। যদিও ইন্ডাস্ট্রির একাংশ এর তীব্র বিরোধিতা করেছিল। আমালের মতে, একটি গানের প্রায় ৯৫% আয় যায় লেবেলের কাছে আর স্রষ্টাদের ঝুলিতে আসে বাকি পাঁচ শতাংশ। এই গান এখন আর তাঁর নয়। লেবেল চাইলে রিমিক্স করতে পারে। সেক্ষেত্রে তিনি কোনও পদক্ষপও গ্রহণ করতে পারবেন না।

আরও পড়ুন:

আমল সেই সাক্ষাৎকারে আরও একটি বিষয়ে আলোকপাত করেন, “অনেক অভিনেতা মনে করেন তাঁদের উপস্থিতির উপর জনপ্রিয়তার মাপকাঠি নির্ভর করে। কিন্তু, এই ধারণা সম্পূর্ণ ঠিক নয়। গীতিকার, সুরকার, পরিচালকদের অবদান অনস্বীকার্য। তারপর গায়ক-গায়িকার কৃতিত্ব। স্রষ্ঠারা না থাকলে তো গান তৈরিই হত না।”

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *