শহরের অপরাধের ‘হটস্পট’গুলি চিহ্নিত করতে প্রত্যেক থানা ও গোয়েন্দা দপ্তরের ওসিদের নির্দেশ দিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। পাশাপাশি, কোন কোন এলাকায় কী কী ধরনের অপরাধ বেশি হচ্ছে, তার তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুনের মতো অপরাধগুলি কোন এলাকায় বেশি হচ্ছে, সেই সেগুলি দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে।
সোমবার প্রত্যেক থানা ও গোয়েন্দা দপ্তরের ওসি, লালবাজারের পুলিশকর্তাদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেন পুলিশ কমিশনার। তাঁর নির্দেশ, এক একটি অপরাধের ক্ষেত্রে পাঁচটি করে এলাকা চিহ্নিত করতে হবে। এ ছাড়াও অপরাধ কীভাবে কমানো যায় – তৈরি করতে হবে তার রূপরেখা। এলাকাগুলি নির্দিষ্ট হওয়ার পর সেই জায়গাগুলিতে থানা ও গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালাতে হবে। সাইবার অপরাধ থেকে শুরু করে যে কোনও অপরাধের ক্ষেত্রে তৈরি করতে হবে ডেটা ব্যাঙ্কও। অন্যদিকে, মাদক পাচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে বিভিন্ন এলাকায় লাগাতার সচেতনতার প্রচার চালানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন অজয় নন্দা।।
আরও পড়ুন:
লালবাজারের একটি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে জুলাই মাসে হওয়া খুন, সাইবার জালিয়াতি, প্রতারণা-সহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ে লালবাজারের কর্তারা আলোচনা করেন। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ, প্রত্যেক মামলার ফলো আপ রাখতে হবে আধিকারিকদের। শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না, প্রত্যেকটি অপরাধে অভিযুক্তদের সাজা দেওয়ানোরও ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশ কমিশনার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পকসো মামলায় ৬০ দিনের মধ্যে অবশ্যই যেন চার্জশিট পেশ করা হয়। অতীতে বেশ কিছু পকসো মামলায় ৬০ দিনের মধ্যে চার্জশিট পেশ করা হয়নি। সেগুলি যেন দ্রুত পেশ করা হয়। জানা গিয়েছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ভার্চুয়ালি থানার ওসি ও লালবাজারের কর্তাদের সঙ্গে ফের বৈঠক করবেন পুলিশ কমিশনার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
