ওড়িশায় কাজ করতে গিয়ে নিখোঁজ মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিক! আতঙ্কে প্রশাসনের দ্বারস্থ পরিবার

ওড়িশায় কাজ করতে গিয়ে নিখোঁজ মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিক! আতঙ্কে প্রশাসনের দ্বারস্থ পরিবার

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


ওড়িশায় পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ মুর্শিদাবাদের এক যুবক! উৎকন্ঠায় পরিবার। ওই যুবকের নাম মোশারফ শেখ ওরফে মিঠুন। মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে ওই পরিবার। বাংলায় কথা বলার জন্য বাংলাদেশি দাগিয়ে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠছে। ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকরা ‘খুন’ও হচ্ছেন। সম্প্রতি ওড়িশার সম্বলপুরের শান্তিনগরে বাংলাদেশি সন্দেহে মুর্শিদাবাদের সুতি থানার চক বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা জুয়েল রানাকে নামে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করে জনা কয়েক দুষ্কৃতী! সেই ঘটনার পরেই আতঙ্কিত হয়ে ওড়িশা ছেড়ে পালাতে গিয়েছিলেন মোশারফ শেখ। সেসময়ই তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন বলে পরিবার সূত্রে দাবি।

আরও পড়ুন:

গত ১৫ দিন ধরে মোশারফের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনও খোঁজ না মেলায় উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাছে তাঁর পরিবার। গ্রামবাসীদের একাংশের অনুমান ওড়িশার সম্বলপুরে যেদিন জুয়েল খুন হয়েছিলেন, সেদিন থেকে মোশারফের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না! স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঁচ সন্তানের বাবা মোশারফ গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত ওড়িশার বিভিন্ন এলাকায় পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন। সম্প্রতি ওড়িশার সম্বলপুরে জুয়েল রানার উপর হামলার ঘটনার পর মুর্শিদাবাদের একাধিক পরিযায়ী শ্রমিক সেখান থেকে পালিয়ে আসার চেষ্টা করেন।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, সম্বলপুরের কুসুমতলা এলাকার একটি জায়গা থেকে মোশারফ পালিয়ে আসার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু গত প্রায় দিন ধরে তাঁর কোনও খোঁজ মিলছে না। পরিবারের সদস্যরা তাঁর ছবি হাতে করে প্রশাসনের দরজায় ঘুরছেন। মোশারফের স্ত্রী শামনুর বিবি বলেন, “স্বামী সেখান থেকে পালিয়ে আসার চেষ্টা করেছিল। সম্বলপুর থেকে রওনা হওয়ার আগে আমার সঙ্গে তাঁর শেষবারের মতো ফোনে কথা হয়। বলেছিল আর কিছুক্ষণের মধ্যে স্টেশনে যাচ্ছে। কিন্তু তারপর থেকে স্বামীর আর কোনও খোঁজ মিলছে না।”

আরও পড়ুন:

মোশারফের মা দিলবাহার বিবি বলেন, “আমার ছেলের সন্ধান না পাওয়ায় খুব উদ্বেগের মধ্যে রয়েছি। আমরা সকলের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি ওড়িশা থেকে আমার ছেলেকে এনে দেওয়ার জন্য।” মুর্শিদাবাদ শ্রমিক কল্যাণ পর্ষদের সদস্য সোহেল আহমেদ বলেন, “বিষয়টি জানার পর রাজ্যসভার সাংসদ তথা শ্রমিক কল্যান পর্ষদের চেয়ারম্যান সামিরুল ইসলামকে জানানো হয়েছে। মোশারফের সন্ধানে সম্বলপুর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।”

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *