এল নিনোর রক্তচক্ষু এড়িয়ে ১১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি জুলাইয়ে! তৈরি নয়া নজির

এল নিনোর রক্তচক্ষু এড়িয়ে ১১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি জুলাইয়ে! তৈরি নয়া নজির

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


এল নিনো। এটি একটি স্প্যানিশ শব্দ। যার অর্থ ‘শিশু’। এই বছরে এল নিনোর প্রভাবে এদেশে ভয়ংকর ক্ষতি হতে পারে কৃষি তথা খাদ্য ভাণ্ডারের! দেখা দিতে পারে প্রবল খরা। এমন আশঙ্কা অনেকদিন ধরেই করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন অবস্থায় অবাক করেছে জুলাই! এই মাসের প্রথম সপ্তাহে সারা দেশের হিসেবে বৃষ্টি হয়েছে স্বাভাবিকের থেকে ১১ শতাংশ বেশি। আইএমডি জানিয়েছে, এ এক নয়া নজির।

পরিসংখ্যান বলছেন ১ জুলাই থেকে ৬ জুলাই বৃষ্টি হয়েছে ৫৩.৩ মিলিমিটার। যা স্বাভাবিক পরিমাণের (৪৮ মিমি) থেকে ১১ শতাংশ বেশি। আরব সাগর থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগর ও হিমালয়ের পাদদেশ পর্যন্ত— সমগ্র ভারতজুড়ে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে এই পরিস্থিতিতেও বাংলার জন্য পরিসংখ্যান ভালো নয়। দেশের যে রাজ্যগুলিতে কম বৃষ্টি হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম পশ্চিমবঙ্গ।

আরও পড়ুন:

দেখা যাচ্ছে, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহের নিরিখে বাংলা বাদে হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ত্রিপুরা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, মিজোরামে বৃষ্টিপাতে ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া প্রবল ঘাটতি রয়েছে অসম, মণিপুর, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশের মতো রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। দেশের বাকি অংশে কোথাও বেশি, কোথাও অত্যন্ত বেশি বৃষ্টি হয়েছে। সব মিলিয়ে যা স্বাভাবিকের থেকে ১১ শতাংশ বেশি।

এদিকে এল নিনোর ভ্রূকুটি তো রয়েছেই। এবারের এল নিনোকে ডাকা হচ্ছে ‘গডজিলা’ এল নিনো বলেও। এহেন নামকরণের নেপথ্যেই রয়ে গিয়েছে ভয়াবহতার আশঙ্কা-মেঘ! প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের হাজার কিলোমিটার দূরে উষ্ণ হয়ে ওঠা জলের একটা অংশেই ‘গোকুলে’ বেড়ে উঠে এবার ভারতের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে চলেছে। এমনটাই জানাচ্ছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম’-এর মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলি জানিয়েছে, এল নিনো কেবলই একটা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সূচক মাত্র হয়ে থাকছে না। বরং তা এবার দেশের কৃষি, শক্তিক্ষেত্র, পরিবহণ, খাদ্য সংকটে প্রবল প্রভাব ফেলতে চলেছে। তবে আপাতত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ মোটেই ভীতিপ্রদ নয়।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *