এবার লুভর মিউজিয়ামে বিক্ষোভের আগুন, ফ্রান্সের একাধিক শহরে জারি হচ্ছে কারফিউ!

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


শিক্ষা ক্ষেত্রে ভঙ্গুর পরিকাঠামো, বাড়ন্ত মূল্যবৃদ্ধি-সহ একাধিক ইস্যুতে বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স। প্রাথমিকভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু হলেও এখন তা হিংসাত্মক রূপ ধারণ করেছে। এবার ক্ষোভের আগুন পৌঁছল প্যারিসের বিখ্যাত লুভর মিউজিয়ামে। জানা যাচ্ছে, সোমবার মিউজিয়ামের প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখান একদল আন্দোলনকারী। অন্যদিকে, পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতিমধ্যেই ফ্রান্সের একাধিক শহরে কারফিউ জারির সুপারিশ করেছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু।

সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে প্যারিসের উপকণ্ঠে একটি হাই স্কুলে শিক্ষক-সংকটের জেরে এই বিক্ষোভের সূচনা হয়। পরবর্তীতে তা দেশের অধিকাংশ স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষা সংকটের পাশাপাশি মাত্রাছাড়া মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদেও পথে নামেন জনতা। বর্তমানে বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে ফ্রান্সের অন্তত ৪০টি শহর। সপ্তাহব্যাপী চলা এই আন্দোলনের জেরে রাজপথে নেমে এসেছে ৩ লক্ষেরও বেশি পড়ুয়া। তবে অভিযোগ, প্রতিবাদের নামে ভাঙচুর, বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিসংযোগ করে দিচ্ছেন  বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজপথে নামে পুলিশের দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী। তারপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের হটাতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাচ্ছে পুলিশ। ছোড়া হচ্ছে জলকামানও। শনিবার জনতার বিক্ষোভে পুড়ে ছাই হয়ে যায় লিমোজ শহরের ১৪০ বছরের বেশি পুরোনো ঐতিহ্যশালী টাউন হল। পাশাপাশি, ফ্রান্সজুড়ে চলছে লুটতরাজও। 

আরও পড়ুন:

জানা গিয়েছে, লাগাতার বিক্ষোভের জেরে সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ পদত্যাগের প্রস্তাব দেন। তবে তা গ্রহণ করেননি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২ হাজার ৫০০-রও বেশি বিক্ষোভকারীকে। বিক্ষোভ দমাতে গিয়ে আহত হয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায় ১ হাজার সদস্য। রবিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে কড়া বার্তা দিয়েছেন ম্যাক্রোঁ। বলেন, “আন্দোলনের নামে যে লাগামহীন হিংসতা দেখা গিয়েছে, তার পক্ষে কোনও যুক্তিই খাটে না। ন্যায্য দাবি নিয়ে যাঁরা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদের সঙ্গে যাঁরা ভাঙচুর, ধ্বংসলীলা ও লুটপাট চালাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে পার্থক্য থাকা প্রয়োজন। যাঁরা কুকর্ম করছেন, তাঁদের মূল্য চোকাতেই হবে। যাঁরা দাঙ্গা বাঁধাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে সরকার।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *