এক কোপে বাদ হাত! কোন্নগরে ‘পরোপকারী’ তৃণমূল নেতা খুনের নেপথ্যে বিজেপি?

এক কোপে বাদ হাত! কোন্নগরে ‘পরোপকারী’ তৃণমূল নেতা খুনের নেপথ্যে বিজেপি?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সুমন করাতি, হুগলি: কারও মেয়ের বিয়েতে আর্থিক সংকট কিংবা কেউ অসুস্থ – সবসময় তাঁর পাশে থাকতেন কোন্নগরের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য পিন্টু চক্রবর্তী। পরোপকারী, মিষ্টভাষী তৃণমূল নেতার হত্যাকাণ্ডে তাজ্জব স্থানীয়রা। ব্যবসায়িক শত্রুতা নাকি রাজনৈতিক খুন? খুনি পরিচিত নাকি বহিরাগত? গোটা অপারেশনের জন্য কেউ কি সুপারি দেয়? তৃণমূল নেতা খুনে এমনই হাজার প্রশ্নের ভিড়। যদিও তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি। পালটা গেরুয়া শিবিরের এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে চলছে খোঁজখবর।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, বুধবার রাতে নিজের গ্যাসের অফিস থেকে বেরনোর পর তাঁর পিছু নেয় এক যুবক। বাইকে উঠে পড়েন তৃণমূল নেতা। প্রথমে তাঁর ঘাড়ে কোপ দেয় দুষ্কৃতী। বাইক থেকে ছিটকে পড়েন তৃণমূল নেতা। এরপর হাত দিয়ে বাধা দিতে যান ওই তৃণমূল নেতা। এবার হাতে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয় ওই দুষ্কৃতী। হাত কেটে বাদ হয়ে যায়। ওই অবস্থায় প্রথমে কানাইপুর এবং পরে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করেও লাভ হয়নি। মৃত্যু হয় তৃণমূল নেতার।

স্থানীয়দের দাবি, বাম আমলে কানাইপুরে খুন, দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য লেগেই থাকত। তবে বর্তমানে সেই পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে। তা সত্ত্বেও আগামী বছরের বিধানসভা নির্বচনের আগে তৃণমূল নেতার খুন নিয়ে স্বাভাবিকভাবে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই দুষ্কৃতীরা বহিরাগত। তবে কেন তাঁরা এমন পরোপকারী তৃণমূল নেতাকে খুন করল তারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *