বাইকে করে বীরভূম থেকে মাদক নিয়ে আসা হত বলে অভিযোগ। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান-সহ একাধিক জেলায় চলত কারবার। কলেজ পড়ুয়াদের টার্গেট করে সেই মাদক বিক্রি করা হত বলে অভিযোগ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। পাকড়াও মাদক পাচারচক্রের মূল পাণ্ডা শরিফুদ্দিন শেখ ওরফে ‘ব্যাঙ’। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মাদক পাচারের একাধিক তথ্যের হদিশ পেতে চাইছে পুলিশ। রাজ্য সরকার মাদকমুক্ত বাংলা গড়ার সংকল্প নিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে প্রচুর পরিমাণে মাদক উদ্ধার হচ্ছে। গ্রেপ্তার হচ্ছে ওই কারবারে যুক্ত থাকা দুষ্কৃতীরা।
এবার দুর্গাপুরের মলানদিঘি ফাঁড়ির পুলিশ এই অভিযান চালাল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই জেলার সীমান্তকে কার্যত করিডর বানিয়ে এই কারবার চলছিল। বীরভূম থেকে মাদক অজয় নদের সেতু পেরিয়ে বাইকে করে নিয়ে আসা হত পশ্চিম বর্ধমানে! দুর্গাপুরের বিদবিহারের শিবপুরের গোপন আস্তানায় সেই মাদক মজুত হত। এরপর সেই মাদক ধাপে ধাপে একাধিক জেলায় পাচার হত বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর এসেছিল, ওই ডেরায় বিপুল পরিমাণে মাদক মজুত রাখা হয়েছে। কাঁকসার মলানদিঘি ফাঁড়ির ইনচার্জ চন্দন মিশ্রের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী সেখানে অভিযান চালায়। শিবপুর এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক-সহ গ্রেপ্তার করা হয় শরিফুদ্দিন শেখ ওরফে ব্যাঙকে। প্রাথমিক জেরা করা হয়েছে ধৃতকে। আজ, বুধবার ধৃতকে আসানসোল জেলা আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে পুলিশ। ধৃতকে জেরা করে এই চক্রের আরও তথ্য মিলবে বলে পুলিশের অনুমান।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
