নিউজিল্যান্ড: ২০৮/৬ (স্যান্টনার ৪৭, রাচীন ৪৪, কুলদীপ ৩৫/২)
ভারত: ২০৯/৩ (সূর্য ৮২*, ঈশান ৭৬, ইশ সোধি ৩৪/১)
৭ উইকেটে জয়ী ভারত।
আরও পড়ুন:
সময় আমাদের বড় শিক্ষক। যা অনেক কিছু শিখিয়ে যায় প্রতি মুহূর্তে। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে সর্বোচ্চ রান করেও জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন না ঈশান কিষান। অথচ কে জানত ফিনিক্সের মতো জাতীয় দলে ফিরবেন তিনি। সেই তিনিই দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ‘সবক’ শেখালেন নিউজিল্যান্ডকে। তাঁর ঝোড়ো ইনিংস যেমন রায়পুরের মাঠে স্মরণীয় হয়ে থাকল, তেমনই দীর্ঘ মাস পর হাফসেঞ্চুরি হাঁকালেন সূর্যকুমার যাদব। ২৮ বল বাকি থাকতেই নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২০৯ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে গেল ভারত।
অভিষেক শর্মার তাণ্ডবে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ ‘প্রস্তুতি’ শুরু করেছিল টিম ইন্ডিয়া। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৪৮ রানে জিতেছিলেন সূর্যকুমার যাদবরা। এবার লক্ষ্য দ্বিতীয় ম্যাচে বৈতরণি পার করা। সেই লক্ষ্যে লেটার মার্ক নিয়ে পাশ টিম ইন্ডিয়া। রায়পুরের টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান সূর্যকুমার। ভারতের সামনে ২০৯ রানের লক্ষ্য রেখেছিল নিউজিল্যান্ড। রাচীন রবীন্দ্র ও মিচেল স্যান্টনারের সৌজন্যে ২০০-র গণ্ডি পার করে নিউজিল্যান্ড। ২৭ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। কুলদীপ যাদব নেন ৩৫ রানে ২টি উইকেট। হার্দিক, হর্ষিত, বরুণ, অভিষেক, দুবে ভাগ করে নেন একটি করে উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনার সঞ্জু স্যামসন (৬), অভিষেক শর্মার (০) উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। ৬ রানে ২ উইকেট হারানো ভারতকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলেন ঈশান কিষান এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার। ২১ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ঈশান। বাঁহাতি ব্যাটার যখন খেলছিলেন, সেই সময় অ্যাঙ্কারের ভূমিকায় ছিলেন সূর্য। তাঁদের জুটিতে ওঠে ১২২ রান। ইশ সোধির বলে ছয় মারতে গিয়ে ৩২ বলে ৭৬ রানে সাজঘরে ফেরেন ঈশান। আউটের আগে ১১টা চার এবং চারটে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়েছেন। জীবন হয়তো এভাবেই বদলে যায়। বছর খানেক আগে ডবল সেঞ্চুরি করার পর অনেকেই মনে করেছিলেন, ভারতীয় দলে ঈশান কিষানের জায়গা পাকা, তাঁরা এক সময় ভুল প্রমাণিত হয়েছিলেন। বিসিসিআইয়ের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়া থেকে জাতীয় দলের লড়াই থেকে ছিটকে ফিনিক্স পাখির মতো ঈশানের এই কামব্যাকের লড়াই সত্যিই দেখার মতো।
আরও পড়ুন:
ঈশান ফিরলেও ভারতের রানের গতি কমেনি। সৌজন্যে ‘স্কাই’। একেবারে স্বমহিমায় ব্যাট করেন সূর্য। ১৪ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হাফসেঞ্চুরি করলেন তিনি। ২৩ বলে এই ২২তম অর্ধশতক করেন তিনি। সঙ্গে শিবম দুবেও (৩৬) কার্যকরী ইনিংস খেলে গেলেন। সূর্য ও দুবের জুটিতেও উঠল ৮১ রান। ভারতকে জয় পেতেও বেশি অপেক্ষা করতে হল না। সূর্য অপরাজিত থাকলেন ৩৭ বলে ৮২ রানে। তাঁর ইনিংসে ছিল ৯টা চার, চারটে ছয়। দু’টো বড় জুটি এবং দু’টো বড় ইনিংসের সৌজন্যে মাত্র ১৫.২ ওভারে জয়ের রান তুলে নেয় ভারত। রায়পুরে জিতে সিরিজের ফলাফল এখন ভারতের পক্ষে ২-০। তৃতীয় টি-টোয়েন্টি রোববার।
As breathtaking as it may get 💥#TeamIndia sail over the end line with 7⃣ wickets to spare in Raipur ⛵️
With that, they lead the sequence 2⃣-0⃣ 👏
Updates ▶️ https://t.co/8G8p1tq1RC#INDvNZ | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/UXOo96Qbup
— BCCI (@BCCI) January 23, 2026
সর্বশেষ খবর
