ইটভাটা থেকে বাড়ি ফেরার পথে হামলা! জয়নগরে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে ‘খুন’

ইটভাটা থেকে বাড়ি ফেরার পথে হামলা! জয়নগরে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে ‘খুন’

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


দেবব্রত মণ্ডল, জয়নগর: কাজ সেরে রাতে বাড়ি ফেরার পথে খুন হলেন এক তৃণমূল কর্মী। দুষ্কৃতীরা তাঁকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ‘খুন’ করে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে। মৃত ওই তৃণমূল কর্মীর নাম জয়ন্ত মণ্ডল। তাঁর বাড়ি জয়নগর থানার গোবিন্দপুর এলাকায়। পুলিশ দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, জয়ন্ত মণ্ডল কুলতলি এলাকায় একটি ইটভাঁটার মালিক ছিলেন। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতেও ইটভাঁটা থেকে মহিষমারি এলাকা থেকে বাইক চালিয়ে জয়ন্ত বাড়ি ফিরছিলেন। গতকাল রাতে তাঁর সঙ্গে টাকাও ছিল বলে জানা গিয়েছে। নির্জন রাস্তায় তাঁর পথ আটকায় জনা কয়েক দুষ্কৃতী। তাঁর উপর হামলা চালানো হয়! ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক কোপ মারা হয় বলে অভিযোগ। এরপর দুষ্কৃতীরা এলাকা ছাড়ে।

রক্তাক্ত জয়ন্ত রাস্তায় পড়ে আর্তনাদ করতে থাকেন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর দেওয়া হয় জয়নগর থানায় ও মৃতের পরিবারের সদস্যদের। পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছয়। অকুস্থলে গিয়ে তদন্তও শুরু করে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত জয়ন্ত মণ্ডলের ভাই সুব্রত মণ্ডল বলেন, “আমি তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। ওই ইটভাটাকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকবার ঝামেলা হয়েছে। আমার দাদাকে পরিকল্পিতভাবে দুষ্কৃতীরা খুন করেছে। পুলিশ-প্রশাসনের ওপর পূর্ণ ভরসা রয়েছে।”

ইটভাঁটার কর্মী প্রহ্লাদ নস্কর বলেন, “প্রতিদিনের মতো জয়ন্তদা ইটভাঁটা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। সেসময় এই ঘটনা ঘটে। জয়ন্তদার কাছে নগদ টাকা ছিল।” টাকা লুটের জন্যই কি খুন? নাকি রাজনৈতিক কারণে এই ঘটনা? সেই প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ বিষয়ে বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রূপান্তর সেনগুপ্ত বলেন, ” প্রাথমিক অনুমান, ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে এই ঘটনা। কিন্তু এর পিছনে কে বা কারা যুক্ত রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

তদন্তকারীরা এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে খতিয়ে দেখছেন। স্থানীয়দেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার পরে থমথমে ওই এলাকা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *