ইজরায়েল-গাজার ‘ঐতিহাসিক’ শান্তি চুক্তি, শুভেচ্ছা জানাতে ট্রাম্পকে ফোন মোদির, কথা বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও

ইজরায়েল-গাজার ‘ঐতিহাসিক’ শান্তি চুক্তি, শুভেচ্ছা জানাতে ট্রাম্পকে ফোন মোদির, কথা বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের কাছাকাছি আসছেন নরেন্দ্র মোদি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প! বেশ কিছুদিন ধরেই সে ইঙ্গিত মিলছিল। এ বার নিজেদের মধ্যের দূরত্ব ঘোচানোর পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। ইজরায়েল এবং হামাসের মধ্যে শান্তিপ্রক্রিয়ায় ট্রাম্পের কৃতিত্ব মেনে নিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্রাম্পের সঙ্গে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী। মূলত গাজা শান্তিচুক্তির প্রথম দফার সাফল্যের জন্য ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানান মোদি। এছাড়াও ভারত-আমেরিকার সম্পর্কের উন্নতি এবং বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে। সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের সঙ্গে ওই ফোনালাপের কথা জানিয়েছেন মোদি নিজেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গাজার ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি নিয়ে আমার বন্ধু ট্রাম্পের সঙ্গে কথা হয়েছে। এই চুক্তির জন্য তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। একই সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যচুক্তির আলোচনায় উন্নতি নিয়েও কথা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, বুধবারই ইজরায়েল-গাজার মধ্যে শান্তি চুক্তির প্রথম দফায় একমত হয়েছে ইজরায়েল এবং হামাস। এমনটাই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার ট্রাম্প তাঁর সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে লেখেন, ‘আমি গর্বিত গাজা শান্তিচুক্তির প্রথম দফায় একমত হয়েছে ইজরায়েল এবং হামাস। এর অর্থ প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠীটি ইজরায়েলি পণবন্দিদের মুক্তি দেবে। পরিবর্তে ইজরায়েল গাজার কিছু অংশ থেকে তাদের সেনা তুলে নেবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আরব এবং মুসলিম দেশগুলির কাছে এটি একটি গর্বের দিন। ইজরায়েল-হামাসের সংঘাত থামাতে আমি কাতার, মিশর এবং তুরস্ককের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশগুলিকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই।’ অন্যদিকে, হামাস একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি ফেরাতে তারা চুক্তিতে রাজি হয়েছে। ইহুদি দেশটি গাজার কিছুটা অংশ থেকে তাদের সেনা তুলে নেবে। পরিবর্তে ইজরায়েলি পণবন্দিদের মুক্তি দেবে হামাস। ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেন তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি।

উল্লেখ্য, ভারতীয় পণ্যের উপর ট্রাম্প অতিরিক্ত কর চাপানোয় ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে ফের ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির দূরত্ব কমার ইঙ্গিত মিলেছে। তাছাড়া ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় নিজের দেশেও চাপে ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক শুধরে নিতে উদ্যোগী তিনিও। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদির ফোন দুদেশের সম্পর্কে উন্নতি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ







Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *