চলতি মরশুমে আলুর ফলন হয়েছে প্রচুর। তা খানিকটা বাড়তি। এই পরিস্থিতিতে লাভের চেয়ে লোকসানের আশঙ্কা বেশি থাকে কৃষকদের। বাড়তি আলু সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে যদি কোনওভাবে নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে তো লোকসান ঠেকানো সম্ভব নয়। এই চিন্তায় মগ্ন কৃষকরা। আর তাঁদের চিন্তামুক্ত করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। প্রতি কেজি আলুর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বেঁধে দেওয়া হল। কৃষকদের থেকে সরাসরি মোট ১২ লক্ষ মেট্রিকটন আলু কেনা হবে কেজি প্রতি সাড়ে ৯টাকা দরে। এরপর তা বিভিন্ন সুফল বাংলা স্টল ও বাজারে ছাড়া হবে। ক্রেতারাও সুলভ মূল্যে আলু কিনতে পারবেন। বৃহস্পতিবার নবান্নের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার।
আরও পড়ুন:
কৃষকদের চিন্তামুক্ত করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। প্রতি কেজি আলুর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বেঁধে দেওয়া হল। কৃষকদের থেকে সরাসরি মোট ১২ লক্ষ মেট্রিকটন আলু কেনা হবে কেজি প্রতি সাড়ে ৯টাকা দরে। এরপর তা বিভিন্ন সুফল বাংলা স্টল ও বাজারে ছাড়া হবে। ক্রেতারাও সুলভ মূল্যে আলু কিনতে পারবেন।
সম্প্রতি রাজ্য সরকার আলুচাষিদের দিকে নজর দিয়েছে। বাংলায় কমপক্ষে ৮ লক্ষ পরিবার আলুচাষের সঙ্গে যুক্ত। মূলত হুগলি, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের বেশিরভাগ মানুষ আলুচাষ করেই জীবনধারণ করেন। বাংলায় সাধারণত ৫ হাজার হেক্টর জমিতে ১.২ কোটি টন আলু চাষ হয়। চলতি বছর আলুচাষের পরিমাণ বেড়ে ১.৭ কোটি থেকে ১.৯ কোটি টন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকে আলুচাষ শুরু হয়। মার্চের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলে আলু তোলার সময়। আলুচাষের সঙ্গে যুক্ত কৃষকরা ইতিমধ্যে অতিরিক্ত চাষের পরেও কম আয় হওয়ার ভাবনাচিন্তা করছেন। যাতে এই সমস্যা না হয় সেদিকেই নজর রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের।
এ প্রসঙ্গে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। তাতেই সিদ্ধান্ত হয়েছে, কৃষকদের লোকসান এড়াতে সরাসরি রাজ্য সরকারই তাঁদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে আলু কিনে নেওয়া হবে। মোট ১২ লক্ষ মেট্রিক টন আলু কেনা হবে। প্রতি কেজি সাড়ে ৯টাকায় কেনা হবে। বাকি আলু যাতে যথাযথভাবে হিমঘরে সংরক্ষণ করা হয়, তার জন্যও ব্যবস্থা নেবে রাজ্য সরকার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
