আমেরিকায় জন্মালেই মার্কিন নাগরিক, ট্রাম্পকে ধাক্কা দিয়ে ১৫৬ বছরের পুরনো আইন বহাল সুপ্রিম কোর্টের

আমেরিকায় জন্মালেই মার্কিন নাগরিক, ট্রাম্পকে ধাক্কা দিয়ে ১৫৬ বছরের পুরনো আইন বহাল সুপ্রিম কোর্টের

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসের প্রবেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সে দেশের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত ১৫৬ বছরের পুরনো আইন বদলানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সংক্রান্ত এক সরকারি নির্দেশনামায় স্বাক্ষরও করেন। যদিও মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে জোর ধাক্কা খেলেন তিনি। জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের দেড়শো বছরের পুরনো নিয়মই বহাল রাখল আদালত।

মার্কিন আইনে জন্মসূত্রের নাগরিকত্বকে বলা হয় ‘জুস সোলি’। এটি প্রকৃতপক্ষে একটি ল্যাটিন শব্দ। এর অর্থ হল ‘মাটির অধিকার’। আমেরিকার সংবিধানে বলা হয়েছে, সেখানে জন্ম নেওয়া প্রতিটা শিশুকে স্বাভাবিক ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এমনকী শিশুটির মা-বাবা অন্য দেশের নাগরিক হলেও সে জন্মসূত্রে আমেরিকার নাগরিকত্বই পাবে। নাগরিকত্বের এই সাবেকি নীতির পরিবর্তন আনার উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ ছিল। তবে শুরু থেকেই এই আদেশের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

আরও পড়ুন:

বলা বাহুল্য, ‘আমেরিকান ফার্স্ট’ স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় আসা ট্রাম্প কঠোর অভিবাসন নীতির পক্ষে। তিনি মনে করেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ১৮৬৮ সালের জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের আইনের বদল আনা প্রয়োজন। ভোটের প্রচারে ট্রাম্প বারে বারেই দাবি করেছিলেন, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্যেই দেশে অভিবাসী সমস্যা বাড়ছে। অন্যদিকে, অভিবাসন অধিকারকর্মী, আইন বিশেষজ্ঞ এবং বেশ কয়েকটি মাার্কিন অঙ্গরাজ্য এই আদেশের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়। তাদের দাবি ছিল, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আমেরিকার সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত একটি অধিকার, যা শুধু প্রেসিডেন্টের আদেশ দিয়ে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

এই বক্তব্যে কার্যত মান্যতা দিল মার্কিন সর্বোচ্চ আদালত। বলা বাহুল্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি বড়সড় ধাক্কা খেল।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *