‘আমার আগে পর্তুগাল কিছুই জেতেনি’, কান্নায় ভেঙে পড়েও স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই বিদায় রোনাল্ডোর

‘আমার আগে পর্তুগাল কিছুই জেতেনি’, কান্নায় ভেঙে পড়েও স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই বিদায় রোনাল্ডোর

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল। ফুটবলের সেরা মঞ্চ থেকে কাঁদতে কাঁদতে বিদায় নিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। তবে বিশ্বকাপ মঞ্চকে বিদায় জানানোর আগে তাঁর সদর্প ঘোষণা, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো আসার আগে পর্তুগাল কিছুই জিততে পারেনি। ক্যাবিনেটে ছিল না কোনও ট্রফি। বিশ্বকাপ না পেলেও দেশের জন্য তিনটি প্রতিযোগিতামূলক ট্রফি রেখে যাচ্ছেন সিআর সেভেন। পর্তুগিজ ফুটবলের ভবিষ্যৎকে উদ্বুদ্ধ করবে রোনাল্ডোর এই অবদান, একথা বলাই যায়।

স্পেনের বিরুদ্ধে নামার আগেই রোনাল্ডো জানিয়ে দিয়েছিলেন, এটাই তাঁর লাস্ট ড্যান্স। বিশ্বকাপের মঞ্চে আর দেখা যাবে না তাঁকে। মেগা টুর্নামেন্টে নিজের শেষ ম্যাচটা জানপ্রাণ লড়িয়ে খেলেছিলেন। কিন্তু জেতা হল না। খেলা শেষে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়লেন রোনাল্ডো। চোখে জল নিয়েই হাজির হলেন সংবাদমাধ্যমের সামনে। হতাশ পর্তুগিজ অধিনায়কের কথায়, “বিশ্বকাপটা এভাবে শেষ হওয়ায় আমি খুবই হতাশ। নিজের সবটুকু দিয়েছিলাম। আমার যতটা সামর্থ্য, ততটা দিয়ে খেলেছি। নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থেকেই বিশ্বকাপ শেষ করলাম।”

আরও পড়ুন:

সঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে তিনি তিনটি ট্রফি এনে দিয়েছেন। সদ্য বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হওয়া তারকার কথায়, “পর্তুগালকে তিনটে ট্রফি দিয়েছি। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর আগে তো পর্তুগাল কিছুই জিততে পারেনি। সবচেয়ে বড় খেতাব এসেছিল ২০১৬তে। ইউরোপসেরা হয়েছিলাম। আমার কাছে ওই সাফল্য বিশ্বকাপের থেকে কোনও অংশে কম নয়।” ম্যাচের পরই পদত্যাগ করেছেন পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্টিনেজ।

রোনাল্ডোর আগেও দু’জন মহাতারকাকে দেখেছে পর্তুগাল। ইউসেবিও আর লুইস ফিগো। কিন্তু তাঁরা কেউই ইউরোপের এক ফুটবল খেলিয়ে দেশের তকমা থেকে পর্তুগালকে পরাশক্তিতে পরিণত করতে পারেননি। যা করে তুলেছেন সিআর। বিশ্ব ফুটবলে যাঁর উপস্থিতি ‘ছায়াপথসম’। এখন আর বিশ্বকাপ বা ইউরোর আসরে পর্তুগাল শুধু প্রতিযোগী হিসেবে আসে না, পা রাখে দাবিদার হয়ে। রোনাল্ডো পরবর্তী যুগে কি সেই সম্মান বজায় রাখতে পারবে পর্তুগাল?

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *