কর আধিকারিকদের গ্রেপ্তারির ক্ষমতা খর্ব। জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। পাশাপাশি, জিএসটি আইনে ফৌজদারি মামলার আর্থিক সীমাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। কর কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে জিএসটি ব্যবস্থাকে সরলীকরণ এবং পদ্ধতিগত জটিলতা কমানোর লক্ষ্যেই এই পরিবর্তনগুলির সুপারিশ করা হয়েছে বলে খবর।
কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার থেকে কর আধিকারিকরা আর গ্রেপ্তারি করতে পারবেন না। এতদিন কর ফাঁকির ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলা দায়ের করার ন্যূনতম সীমা ছিল ১ কোটি। এবার তা বাড়িয়ে ৫ কোটি করা হয়েছে। অর্থাৎ, তুলনামূলক কম অঙ্কের কর সংক্রান্ত অনিয়মের ক্ষেত্রে সরাসরি ফৌজদারি মামলা করা হবে না। এছাড়া, জিএসটি নোটিস এবং অন্যান্য আইনি পদক্ষেপের জন্য একটি সাধারণ ও অভিন্ন মানদণ্ড নির্ধারণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আইনি জটিলতা থেকে মুক্ত রাখার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, ১০ হাজার টাকা বা তার কম অঙ্কের বকেয়ার জন্য নতুন করে কোনও নোটিস জারি করা হবে না। পূর্ববর্তী নেটিসগুলিও প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। অন্যদিকে, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের ক্ষুদ্র বিক্রেতাদের সুবিধার্থে নিয়মকানুন আরও সহজ করারও অনুমোদন করেছে কাউন্সিল।
আরও পড়ুন:
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নির্মলা বলেন, “জিএসটি হার পরিবর্তনের পরিবর্তে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজ করার উপর গুরুত্ব দিয়েছে কাউন্সিল। শুধু তাই নয়, বোঝা কমানোর লক্ষ্যে প্রক্রিয়া-সংক্রান্ত সংস্কারের উপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
