সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাটকের পর নাটক! হ্যান্ডশেক নিয়ে বিতর্ক একেবারে সপ্তম স্বর্গে। বাচ্চাদের মতো বায়না করে আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে প্রথমে খেলব না বলেও অবশেষে মাঠে নেমেছিল পাকিস্তান। তাদের দাবি ছিল, ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের অপসারণ। আইসিসি প্রাথমিক তদন্তে রাজি হলেও পাইক্রফটকে সরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে রাজি ছিল না আইসিসি। আর এর নেপথ্যে ছিলেন এক ভারতীয়। তিনিই ‘অন্যায্য’ দাবি উড়িয়ে পাকিস্তানকে মাঠে নামিয়েছিলেন।
জানা গিয়েছে, এই হ্যান্ডশেক বিতর্ক মেটার ব্যাপারে মধ্যস্থতা করেছিলেন আইসিসি’র নতুন সিইও সংযোগ গুপ্তা। মূলত তিনিই কোনও তথ্যপ্রমাণ ছাড়া পাইক্রফটের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিতে রাজি ছিলেন না। শেষমেশ পাইক্রফট ক্ষমা চাওয়ায় ম্যাচ খেলতে রাজি হয় পাকিস্তান। অবশেষে এক ঘণ্টা পর শুরু হয় ম্যাচ।
কে এই সংযোগ গুপ্তা? এই বছরের ৭ জুলাই আইসিসি’র সিইও পদে যোগ দিয়েছেন সংযোগ। ২০১০ সালে স্টার ইন্ডিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি। এর আগে তিনি সাংবাদিক ছিলেন। মহিলাদের ম্যাচ সম্প্রচারের দায়িত্বেও ছিলেন সংযোগ। আইপিএল কিংবা প্রো কবাডি লিগে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। ২০২০ সালে ডিজনি স্টারের ক্রীড়া প্রধান হন। স্টার টিভি নেটওয়ার্কের সঙ্গে ১৫ বছর যুক্ত থাকার পর আইসিসি’তে যোগ দেন তিনি।
এহেন সংযোগের সঙ্গেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান মহসিন নকভির বৈঠক হয়েছিল।উল্লেখ্য, বুধবার আইসিসি’র চিঠিতে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, সুযোগ থাকলেও অভিযোগের সঙ্গে দলের সদস্যদের কারওর বয়ান পেশ করেনি পাক বোর্ড। ম্যাচ রেফারি যা আচরণ করেছেন, সেটা এসিসি’র ভেন্যু ম্যানেজারের নির্দেশ মেনেই করেছেন। টসের সময় যাবতীয় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই পাইক্রফট এমন আচরণ করেছেন, সেটাও আয়োজক এবং দুই দলের ম্যানেজারের নির্দেশে। তাই পিসিবি’র যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে সেটা এশিয়া কাপের আয়োজক অর্থাৎ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের বিরুদ্ধে দায়ের করা উচিত। আর এসবের নেপথ্যে একজনই, সংযোগ গুপ্তা।
