সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একটা দল আইপিএলের প্লে অফে সেভাবে খেলার সুযোগই পায় না। আর একটা দল বারবার প্লে অফে সুযোগ পেলেও কাজের কাজটি এখনও করে উঠতে পারেনি। মহার্ঘ্য ট্রফি ছুঁয়ে দেখার সৌভাগ্য এখনও হয়নি বিরাট কোহলির। এবার দুদলের কাছেই সুবর্ণ সুযোগ, আইপিএলের সেরার খেতাব জয়ের লক্ষ্যে অন্তত একধাপ এগিয়ে যাওয়ার।
একটা দলের নাম পাঞ্জাব কিংস। অতীত রেকর্ড বলছে, এর আগে মাত্র দু বার প্লেঅফে খেলেছে পাঞ্জাব। সব মিলিয়ে মোট চারটি ম্যাচ খেলেছে তারা। এর মধ্যে জয় এসেছে মাত্র ১টিতে। বাকি ৩ ম্যাচে পরাজয়ের মুখ দেখতে হয়েছে।। একটি মাত্র ম্যাচ জিতেছে তারা। সেটা ২০১৪ সালের প্রথম কোয়ালিফায়ারে। সেবছরও ফাইনালে কেকেআরের কাছে হেরে ট্রফি জেতা হয়নি। তবে এবছর শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংসকে অনেক শক্তিশালী মনে হচ্ছে। গ্রুপ পর্বে রীতিমতো দাপট দেখিয়েছে তারা।
আরসিবির ছবিটা সম্পূর্ণ উলটো। নিয়মিত আইপিএলের প্লে অফে খেলার সুযোগ পায় বিরাট কোহলির দল। এ পর্যন্ত মোট ১০ বার আইপিএল প্লে অফে খেলেছে আরসিবি। কিন্তু সাফল্য সেভাবে আসেনি। মোট ১৫টি ম্যাচ খেলেছেন বিরাটরা। এর মধ্যে জয় এসেছে মাত্র পাঁচটিতে। হারতে হয়েছে ১০ বার। মোট ৩ বার ফাইনালে খেলেছে আরসিবি। ২০০৯ ফাইনালে মাত্র ৬ রানে হারে তারা। ২০১১ সালে অবশ্য হারের ব্যবধান অনেকটাই বেশি ছিল। সেবার সিএসকের কাছে হারতে হয়েছিল ৫৮ রানে। ২০১৬ সালের ফাইনালেও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে ৮ রানে হারেন বিরাটরা। এবার সেই ইতিহাস বদলানোর পালা।
আইপিএল প্লে অফে রেকর্ড:
পাঞ্জাব কিংস
অতীতে প্লে অফে সুযোগ ২ বার
মোট ম্যাচ ৪
জয় ১
হার ৩
সেরা পারফরম্যান্স ২০১৪ ফাইনাল (কেকেআরের কাছে ৩ উইকেটে হার)
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু
অতীতে প্লে অফে সুযোগ ১০ বার
মোট ম্যাচ ১৫
জয় ৫
হার ১০
সেরা পারফরম্যান্স ৩ বার ফাইনাল (৩ বারই হার)
আইপিএল প্লে অফে দুই দল মুখোমুখি হয়নি।
