অসুস্থ আত্মীয়কে দেখে ফিরছিলেন, বাগনানে দুই জা’কে পিষে দিল বেপরোয়া ডাম্পার!

অসুস্থ আত্মীয়কে দেখে ফিরছিলেন, বাগনানে দুই জা’কে পিষে দিল বেপরোয়া ডাম্পার!

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


মনিরুল ইসলাস, উলুবেড়িয়া: অসুস্থ আত্মীয়কে দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। বেপরোয়া ডাম্পারের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে মৃত্যু দুই জায়ের। বুধবার সকালে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার বাগনান থানার ঈশ্বরীপুর গ্রামের পাশের মুম্বই রোডে। মৃতেরা হলেন ময়না মণ্ডল ও মিনা মণ্ডল। ঘটনার পরে স্থানীয়রা বেশ কিছু সময় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রাখে। পুলিশ পরে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

আজ, বুধবার সকালে এক অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতাল থেকে দেখে নিজেদের বাড়িতে ফিরছিলেন ময়না মণ্ডল ও মিনা মণ্ডল। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁরা দু’জনে সম্পর্কে দুই জা। মুম্বই রোডের ধার দিয়ে হেঁটেই দু’জনে দেউলটি বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেসময় দ্রুতগতিতে একটি ডাম্পার এসে পিছন থেকে তাঁদের ধাক্কা মারে। দু’জনেই রাস্তায় ছিটকে পড়লে ডাম্পারের চাকা তাঁদের পিষে দেয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁদের। ঘটনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ছুটে আসেন স্থানীয়রা। প্রবল ক্ষোভ দেখা দেয়। মৃতদেহ রাস্তার উপরে রেখেই শুরু হয় অবরোধ।

বাগনান থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশকে মৃতদেহ তুলতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। থানার আইসি অভিজিৎ দাস এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অক্ষয় মণ্ডল বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে শান্ত করেন। প্রায় আধ ঘণ্টা চলার পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, জাতীয় সড়কের ওই এলাকায় এখনও কোনও সার্ভিস রোড করা যায়নি। ফলে সাধারণ মানুষজন মুম্বই রোডের উপর ফুটপাত দিয়েই চলাচল করেন। এর আগেও একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে ওই এলাকায়। বেপরোয়া গতিতে যান চলাচল করে ওই এলাকার উপর দিয়ে। মাসখানেক আগে বাগনান থানার গাড়ির পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশকর্মীকে একটি গাড়ি ধাক্কা মেরেছিল। ঘটনায় তিনিও মারা যান। স্থানীয়দের আরও দাবি, ওই ফুটপাতটি সংকীর্ণ, খুবই বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। এই রাস্তা ধরেই সাধারণ মানুষ থেকে স্কুলের পড়ুয়ারা যাতায়াত করে। এখন স্কুল বন্ধ রয়েছে। তাই বড়সড় কোনও ঘটনা ঘটেনি। বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে সার্ভিস রোড তৈরি করুক জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *