অভিষেককে জঙ্গলে ছেড়ে আসতে হবে! মমতার ‘বাঘের মতো’ মন্তব্যকে কটাক্ষ অগ্নিমিত্রার

অভিষেককে জঙ্গলে ছেড়ে আসতে হবে! মমতার ‘বাঘের মতো’ মন্তব্যকে কটাক্ষ অগ্নিমিত্রার

রাজ্য/STATE
Spread the love


তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘বাঘের মতো লড়াই’ করেছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়েই এবার কটাক্ষ করলেন পুর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তৃণমূলকে জঙ্গলের সঙ্গে তুলনা করেন তিনি। তিনি জানান, জঙ্গলের মতোই তৃণমূলেও ‘বাঘেদের মধ্যে লড়াই’ হচ্ছে। ​জনসাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থে এই সব বাঘেদের খাঁচায় বন্দি রাখা কিংবা জঙ্গলে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। মন্ত্রী বলেন, অভিষেককে জঙ্গলে ছেড়ে আসতে হবে।

গতকালই বীরভূমের নেতা অনুব্রত মণ্ডল ও কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র মমতার সঙ্গ ছেড়ে ঋত-শিবিরের সঙ্গে হাত মেলান। কালীঘাট তৃণমূল ছেড়ে অনুব্রত অভিযোগ করেন, অভিষেকের জন্যই জেলে যেতে হয়েছিল তাঁকে। অন্যদিকে অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলে মদনের অভিযোগ, ইডির থেকেও এবি বেশি ভয়ংকর। এই আবহে অভিষেক প্রসঙ্গে মমতার ‘বাঘের মতো লড়াই’ মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেন পুরমন্ত্রী। তিনি বলেন, “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আসলে কোন বাঘের কথা বলছেন? বীরভূমের বাঘ নাকি কালীঘাটের বাঘ? রাজ্যে এখন বাঘে বাঘে ছড়াছড়ি। বাঘদের খাঁচাবন্দি রাখাই ভালো।” অভিষেক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বেশি বাড়াবাড়ি করলে তাঁকে জঙ্গলে ছেড়ে আসতে হবে। সভ্য সমাজে এই সব বাঘদের জায়গা নেই। তবে অনুব্রত কি বাঘ? তিনি তো এখন মিউ মিউ করেন।”

আরও পড়ুন:

অগ্নিমিত্রার অভিযোগ, গত ১৫ বছর ধরে এই বাঘগুলো মানুষের ক্ষতি করে চলেছে এবং সমাজকে গ্রাস করছে। সভ্য সমাজে এই ধরনের আচরণের কোনও জায়গা নেই। তাঁদের সুন্দরবন কিংবা গুজরাটের গির অরণ্যে ছেড়ে আসা উচিত। অভিষেকের গলার স্বর পরীক্ষা প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, উনি আসলে মানুষ নাকি বাঘ, তা পরীক্ষা করার জন্যই হয়তো এই টেস্টের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‘বাঘিনী’ মমতার আশীর্বাদধন্য বড় বাঘের (অভিষেক) এলাকায় অন্য বাঘের ভাগ বসানো নিয়েই এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। সব মিলিয়ে তৃণমূলের এই নেতাদের বর্তমান অবস্থাকে ‘বিড়াল’ বা ‘ভাম’ জাতীয় প্রাণীর সঙ্গে তুলনা করে চরম বিদ্রূপ করেন অগ্নিমিত্রা।

উল্লেখ্য, আজ আসানসোল ইসকন মন্দিরে রথযাত্রার শুভ সূচনা করেন অগ্নিমিত্রা। পরম আদরে জড়িয়ে নেন নাড়ু-গোপালকে। ভক্তিভরে সোনার ঝাঁটা দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করে টানলেন রথের রশি। বুধার পুরনো ইসকন মন্দির থেকে শুরু হয়ে এস বি গরাই রোড, জিটি রোড ছুঁয়ে রথ যখন পোলো গ্রাউন্ডের দিকে এগোচ্ছে, তখন কীর্তনের সুরে দু’হাত তুলে মেতে উঠলেন মন্ত্রী নিজেও। আলো আর ভক্তির এই আবহে পোলো গ্রাউন্ডের বিশাল মেলা এখন জমজমাট।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *