‘অন্তর্কলহ’ বিতর্কে চাপে জ্ঞানেশ কুমার, এর মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় স্বস্তি কন্যা মেধার

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


কমিশনের অন্তর্কলহ বিতর্কে তিনি নিজে প্রবল চাপে। তাঁর ইস্তফার দাবিতে হইচই জুড়ে দিয়েছেন বিরোধীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে সুখবর পেলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ভালো করে বলতে গেলে স্বস্তি পেলেন জ্ঞানেশ কুমারের কন্যা তথা নয়ডার জেলাশাসক মেধা রূপম। তাঁর বেতন থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার যে নির্দেশ এলাহাবাদ হাই কোর্ট দিয়েছিল, আপাতত সেটা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিল শীর্ষ আদালত।

নয়ডায় শ্রমিক বিক্ষোভে যোগ দেওয়ায় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গতনয়া আকৃতি চৌধুরীকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে আটক করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নয়ডার জেলাশাসক তথা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কন্যা। এরপর থেকে টানা পাঁচ মাস বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকতে হয় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক আকৃতিকে। গত ২ সেপ্টেম্বর এলাহাবাদ হাই কোর্টের নির্দেশে বাতিল হয় এনএসএ। এইসঙ্গে বিচারপতি অতুল শ্রীধরন এবং বিচারপতি অচল সচদেবের ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসক মেধা রূপমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেন।

আরও পড়ুন:

গোটা ঘটনায় আদালতের পর্যবেক্ষণ, এভাবে প্রশাসনের ‘স্বৈরাচারী’ আচরণ চলতে থাকলে উত্তরপ্রদেশ ধীরে ধীরে ব্রিটিশ আমলের দমন-পীড়ন মূলক প্রশাসনে পরিণত হতে পারে। এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যেখানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে নাগরিক স্বাধীনতা এবং ব্যক্তির মত প্রকাশের স্বাধীনতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা শুরু হবে। আদালতের মতে, মেধা মত প্রকাশের অধিকারে বাধা সৃষ্টি করে তাঁর সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা লঙ্ঘন করেছেন। এই ঘটনায় মেধা রূপমকে নিজের বেতন থেকে আকৃতিকে পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এলাহাবাদ হাই কোর্টের ওই নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন জ্ঞানেশ কন্যা। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা এবং বিচারপতি এন কোটিশ্বর সিংয়ের বেঞ্চ, মেধার আবেদনের ভিত্তিতে আপাতত ওই ক্ষতিপুরণ আদায়ে স্থগিতাদেশ দেয়। বুধবার শুনানিপর্বে শীর্ষ আদালত প্রশ্ন তোলে আটক করার প্রক্রিয়ায় একাধিক স্তরের আধিকারিক যুক্ত থাকলে শুধু জেলাশাসককেই কী ভাবে আলাদা করে দায়ী করা যায়? এরপরই এলাহাবাদ হাই কোর্টের সিদ্ধান্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *