ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২৪৭/৩ (হোপ ১০২*, রাদারফোর্ড ৪৯*)
ভারত: ২২৩ (সঞ্জু ৫৬, তিলক ৪৩, কিমো ৫/৪১)
২৪ রানে জয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ
পাঁচ ম্যাচের সিরিজে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। চারটে ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও নিষ্পত্তি হল না সিরিজের। দু’বার পিছিয়ে পড়েও টি-২০ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতের বিরুদ্ধে কামব্যাক করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বুধবার ব্যাটে-বলে মেন ইন ব্লুকে ধরাশায়ী করলেন শেই হোপরা। প্রথমে ক্যাপ্টেনের ব্যাট থেকে এল অধিনায়কোচিত শতরান। তারপর পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে জয় নিশ্চিত করে দিলেন ক্যারিবীয় পেসার কিমো পল। ট্রফি জয়ের জন্য শ্রেয়স আইয়ারদের অপেক্ষা করতে হবে আরও একটা ম্যাচ।
আরও পড়ুন:
টসে জিতে এদিন প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক শ্রেয়স। তবে প্রথম থেকেই অর্শদীপ সিং-মায়াঙ্ক যাদবদের দিশেহারা দেখায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারকুটে ব্যাটিংয়ের সামনে। শুরুর দিকে জুয়েল অ্যান্ড্রুর উইকেট পড়লেও রানের গতি কমতে দেননি হোপ। মারকুটে ব্যাটিংয়ে তাঁকে সঙ্গ দেন শিমরন হেটমায়ার (৩৩), শেরফান রাদারফোর্ড (৪৯) রা। শেষ পর্যন্ত হোপ ১০২ রানে অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৪৭ রানের পাহাড় খাড়া করে। ভারতীয় বোলারদের দশা অত্যন্ত শোচনীয়। এক প্রিন্স যাদব ছাড়া প্রত্যেকেই ওভারপিছু ১১র বেশি রান দিয়েছেন।
তবে অভিষেক শর্মাদের সাম্প্রতিক ফর্মের উপর আশা করছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। কিন্তু এদিন অভিষেকের ব্যাটে রানের ফুলঝুরি এল না। উলটো দিকে সঞ্জু স্যামসন ঝোড়ো গতিতে হাফসেঞ্চুরি করলেও উইকেট ছুড়ে দিয়ে এলেন। তারপর মিডল অর্ডারকে ছারখার করে দিলেন কিমো পল। যে পিচে অর্শদীপর নাকানিচোবানি খেয়েছেন সেখানে রান দিলেও পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন। তিলক বর্মা এবং নীতীশ রেড্ডি চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ম্যাচ জেতানোর মতো সমর্থন ক্রিজের উলটো দিক থেকে মেলেনি তাঁদের। শেষ পর্যন্ত তিন বল বাকি থাকতেই শেষ হল ভারতের ইনিংস। শ্রেয়সরা থামলেন ২২৩ রানে। চিন্তা বাড়াবে অর্শদীপের চোট।
সিরিজের প্রথম চার ম্যাচে দু’বার পিছিয়ে পড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু হোপের নেতৃত্বে দু’বারই কামব্যাক করেছে তারা। সিরিজের ফয়সালা হবে শনিবার, সপ্তমীর রাতে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
