অগ্নিকাণ্ডের পর রাতারাতি ফাঁকা তারাপীঠ! আতঙ্কে হোটেল ছাড়ার হিড়িক পর্যটকদের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর রাতারাতি ফাঁকা তারাপীঠ। আতঙ্কে হোটেল ছাড়ার হিড়িক পর্যটকদের। সোমবার ভোররাতে বীরভূমের অন্যতম এই পর্যটন ও তীর্থকেন্দ্রের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বিধ্বংসী আগুনে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত বহু মানুষ। ঘটনায় প্রশ্নের মুখে তারাপীঠেজুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা। অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলে থাকা পাটনার অর্চনা সিং সহ অন্যান্য আবাসিকদের অভিযোগ, আগুন লাগার পর এবং ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লেও দীর্ঘক্ষণ কোনও অ্যালার্ম বাজেনি। আগুন নেভানোর জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা, এমনকি জল দেওয়ার ব্যবস্থাও ছিল না বলে দাবি তাঁদের। পরে যে অ্যালার্ম বাজে, সেটি স্বয়ংক্রিয় নয়, আলাদা করে বাজানো হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।

পর্যটকদের বক্তব্য, যে হোটেলটিতে আগুন লেগেছিল, তার সামনে কিছুটা ফাঁকা জায়গা থাকলেও এত প্রাণহানি ঘটেছে। অথচ আশপাশের বহু হোটেল কার্যত গায়ে গায়ে লাগানো। ফলে সেখানে আগুন লাগলে এক হোটেল থেকে অন্য হোটেলে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন:

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, হোটেলের নির্দিষ্ট ইমার্জেন্সি ফায়ার এক্সিটটি বন্ধ ছিল। আগুন লাগার পরেও হোটেল কর্মীদের কেউ সেটি খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেননি বলে অভিযোগ। আবাসিকদের একাংশের দাবি, সময়মতো ওই পথ খুলে দেওয়া গেলে কিংবা স্বয়ংক্রিয় ফায়ার অ্যালার্ম, ফায়ার আলম এবং পর্যাপ্ত জল রাখার ব্যবস্থা থাকলে প্রাণহানি অনেকটাই কমানো সম্ভব হত। ঘটনার পর হোটেলগুলিতে অগ্নিনিরাপত্তার নিয়ম আদৌ মানা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন পর্যটকরা।

এই ঘটনার পর তারাপীঠের অন্যান্য হোটেলগুলি থেকেও পর্যটকদের বাড়ি ফেরার হিড়িক পড়েছে। বাঁকুড়ার সৌমেন পাত্র, শিলিগুড়ির জগদীশ ঘোষ, নদিয়ার শ্রীময়ী চট্টোপাধ্যায়-সহ বহু পর্যটকের আগামী মঙ্গলবার বা বুধবার পর্যন্ত হোটেল বুকিং ছিল। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডের পর নির্ধারিত সময়ের আগেই তাঁরা হোটেল ছেড়ে বাড়ির পথে রওনা দেন। ভয়াবহের এই অগ্নিকাণ্ডের পর রীতিমতো ফাঁকা হয়ে গিয়েছে তারাপীঠ। পর্যটকদের বক্তব্য, যে হোটেলটিতে আগুন লেগেছিল, তার সামনে কিছুটা ফাঁকা জায়গা থাকলেও এত প্রাণহানি ঘটেছে। অথচ আশপাশের বহু হোটেল কার্যত গায়ে গায়ে লাগানো। ফলে সেখানে আগুন লাগলে এক হোটেল থেকে অন্য হোটেলে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারত। আর এহেন আতঙ্কেই বুকিং বাতিল করে দ্রুত বাড়ি ফিরতে চাইছেন পর্যটকরা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *