‘স্টার’ ওয়ার্স! টেলি-যোগাযোগের লড়াইয়ের আঙিনা এখন আরও প্রসারিত

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


উপগ্রহভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবার দুয়ার খুলে যাওয়ায় টেলি-যোগাযোগের লড়াইয়ের আঙিনা বর্তমানে আরও প্রসারিত। এরই মধ্যে দেশীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে লড়াইয়ে নেমেছে মার্কিন বহুজাতিক টেলি-যোগাযোগ সংস্থা ‘স্টারলিঙ্ক’। আর তা নিয়েই নয়া বিতর্ক। লিখছেন কিংশুক বন্দ্যোপাধ্যায়।

দেশের ভিতরের টেলি-যোগাযোগ দুনিয়ার লড়াই এবার আন্তর্জাতিক লড়াইয়ের আঙিনায়। এত দিন ভারতে টেলি-পরিষেবা সংস্থাগুলিকে নিজেদের মধ্যে টিকে থাকার লড়াই করতে দেখা গিয়েছে। এবার উপগ্রহভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবার দুয়ারও খুলে যাওয়ায় লড়াইয়ের আঙিনা আরও প্রসারণ পেল। আর সেই প্রসারিত আঙিনায় পরিষেবা দেওয়ার জন্য দেশীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে লড়াইয়ে নেমেছে মার্কিন বহুজাতিক টেলি-যোগাযোগ সংস্থা ‘স্টারলিঙ্ক’। আর, তা নিয়েই নয়া বিতর্ক। সে বিতর্কে যাওয়ার আগে উপগ্রহভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবা কী আর সাধারণ গ্রাহকই-বা তা কী করে পাবেন সেটা বোঝা যাক। তাহলেই ‘স্টারলিঙ্ক’ বিতর্কের মূল জায়গাটা পরিষ্কার হবে।

আরও পড়ুন:

কেমন করে পরিষেবা
ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৬০ কিমি উচ্চতা থেকে পৃথিবীর কক্ষপথ মাপা শুরু হয়। এই ১৬০ কিমি থেকে ২ হাজার কিমি পর্যন্ত উচ্চতাকে বলা হয় নিম্ন ভূ-কক্ষপথ বা ‘লো আর্থ অর্বিট’ বা সংক্ষেপে ‘এলইও’। বিশ্বের একমাত্র ‘ট্রিলিওনেয়ার’ (১ ট্রিলিয়ন সমান ১ লক্ষ কোটি) ইলন রিভ মাস্কের মহাকাশ সংস্থা ‘স্পেসএক্স’-এর আওতাধীন ‘স্টারলিঙ্ক সার্ভিসেস’ এই নিম্ন ভূ-কক্ষপথে ১০,৩৯৭টি চালু উপগ্রহের সাহায্যে বিশ্বের ১৬০টি দেশের ১ কোটি ২০ লক্ষ গ্রাহককে ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড পরিষেবা দেয়।

উপগ্রহের মাধ্যমে টেলি-যোগাযোগ পরিষেবা দেওয়ার সংস্থাগুলির উপগ্রহ যখন পৃথিবী থেকে ৩৬ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকে, তখন মাস্কের সংস্থার উপগ্রহ থাকে ৫৫০ কিমি দূরে। ফলে, অন্য সংস্থার উপগ্রহ থেকে গ্রাহকের হ্যান্ডসেটে ব্রডব্যান্ড সিগনাল পৌঁছতে যখন ৫০০ মিলি সেকেন্ড।

কীভাবে পরিষেবা
গ্রাহক যখন ‘স্টারলিঙ্ক’ পরিষেবা নেয় তখন তার বাসস্থানে ডিশ ও রাউটার বসানো হয়। এই দুই যন্ত্রের সঙ্গে স্টারলিঙ্কের উপগ্রহের সঙ্গে সংযোগ থাকে। নেট পরিষেবার সিগনাল প্রথমে স্টারলিঙ্কের গ্রাউন্ড স্টেশনে আসে। তারপর সেখান থেকে যায় উপগ্রহে। উপগ্রহের সেই সিগনাল ধরে গ্রাহকের বাসস্থানের ডিশ। তারপর ডিশ রাউটারের মাধ্যমে সেই সিগনাল পাঠায় গ্রাহকের হ্যান্ডসেটে।

এখানে ‘স্টারলিঙ্ক’ যুগান্তকারী পদক্ষেপ করেছে। উপগ্রহের মাধ্যমে টেলি-যোগাযোগ পরিষেবা দেওয়ার সংস্থাগুলির উপগ্রহ যখন পৃথিবী থেকে ৩৬ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকে, তখন মাস্কের সংস্থার উপগ্রহ থাকে ৫৫০ কিমি দূরে। ফলে, অন্য সংস্থার উপগ্রহ থেকে গ্রাহকের হ্যান্ডসেটে ব্রডব্যান্ড সিগনাল পৌঁছতে যখন ৫০০ মিলি সেকেন্ড (এক সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের এক ভাগ– এক মিলি সেকেন্ড) সময় লাগে, তখন ‘স্টারলিঙ্ক’-এর গ্রাহক পায় মাত্র ২০ থেকে ৫০ মিলি সেকেন্ডের মধ্যে। আবার অন্য উপগ্রহভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবা সংস্থার যখন হাতেগোনা উপগ্রহ, তখন ‘স্টারলিঙ্ক’-এর সেই সংখ্যাটা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। ফলে গেমস খেলার মতো পরিষেবার জন্য নিরবিচ্ছিন্ন ব্রডব্যান্ড গ্রাহক পাবে।

তো, এহেন ‘স্টারলিঙ্ক’ এবার এদেশে উপগ্রহ মারফত পরিষেবা দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে লাইসেন্সের আবেদন করেছে। তার আগেই একই লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে ‘রিলায়েন্স জিও স্যাটকম’ ও ‘এয়ারটেল’-এর সঙ্গে গঁাটছড়া বঁাধা ‘ইউটেলস্যাট ওয়ান ওয়েব’। শোনা যাচ্ছে, অ‌্যামাজনের ‘প্রোজেক্ট কুইপার’-ও লাইসেন্সের আবেদন করছে।
এই পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু গোল বেধেছে বিশ্বের সবেধন নীলমনি ট্রিলিওনেয়র ইলন রিভ মাস্কের সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এর কয়েকটি পোস্ট ঘিরে যেখানে তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন– ভারতীয় এক ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর অঙ্গুলিহেলনে অন্যায়ভাবে স্টারলিঙ্কের পরিষেবাকে আটকে রাখা হয়েছে। দিল্লি যদিও এই পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, উপগ্রহ ব্রডব্যান্ড পরিষেবা অনুমতি পাওয়ার জন্য ৮টি সিকিউরিটি এবং অন্যান্য ছাড়পত্র পেতে হয়। ফলে সময় লাগে। অন্য দু’টি সংস্থাও এই ছাড়পত্র পাওয়ার সারণিতে রয়েছে। তাই দীর্ঘসূত্রিতা করে স্টারলিঙ্ককে বঞ্চিত করা হচ্ছে এ কথা ভাবার যুক্তি নেই।

অন্য উপগ্রহভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবা সংস্থার যখন হাতেগোনা উপগ্রহ, তখন ‘স্টারলিঙ্ক’-এর সেই সংখ্যাটা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। ফলে গেমস খেলার মতো পরিষেবার জন্য নিরবিচ্ছিন্ন ব্রডব্যান্ড গ্রাহক পাবে।

‘স্টারলিঙ্ক’-এর চ্যালেঞ্জ
এবার দেখা যাক, ভারতের টেলিযোগাযোগের বাজারে ঢুকতে মাস্ক কেন এত উতলা। বিশ্বে এখন ব্রডব্যান্ড গ্রাহকের সংখ্যা প্রধানত দু’-ভাগে বিভক্ত: তার-যুক্ত ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ব্রডব্যান্ড। বিশ্বে তার-যুক্ত ব্রডব্যান্ড গ্রাহক সংখ্যা ১৫৯ কোটি, যার মধ্যে চিনে রয়েছে ৭০ কোটি আর ভারতে ৭ কোটি। অন্যদিকে, ‘ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিনিউকেশন ইউনিয়ন’-এর (আইটিইউ) পরিসংখ্যান বলছে বিশ্বে ৯২০ কোটি মোবাইল গ্রাহকের মধ্যে ৮২০ কোটি মোবাইল ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করে।

ভারতে টেলি-যোগাযোগ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ‘টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’-র (সংক্ষেপে ‘ট্রাই’) ২০২৬ সালের আগস্টের পরিংখ্যান অনুসারে, ভারতে এই সংখ্যাটা ১০৯ কোটির বেশি। মনে রাখতে হবে, আপাতত ‘স্টারলিঙ্ক’ উপগ্রহভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবা নিয়ে আসছে ভারতে। অর্থাৎ, আপাতদৃষ্টিতে ভারতীয় বাজার আকর্ষণীয় মনে হলেও ‘স্টারলিঙ্ক’-এর এ দেশের মূল মোবাইল ব্রডব্যান্ডের বাজারে পা রাখা এখনও বাকি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠিক এখান থেকেই ভারতে উপগ্রহ মারফত ব্রডব্যান্ড পরিষেবার চ্যালেঞ্জ শুরু। পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট– ভারত মোট তার ও মোবাইল ব্রডব্যান্ড মিলিয়ে বিশ্বের এক নম্বর বাজার হলেও শুধু তারের ব্রডব্যান্ডের নিরিখে আমাদের দেশ চিন (৭০ কোটি) ও আমেরিকার (১৩ কোটি) পরে।

অনুমতি পাওয়ার জন্য ৮টি সিকিউরিটি এবং অন্যান্য ছাড়পত্র পেতে হয়। ফলে সময় লাগে। অন্য দু’টি সংস্থাও এই ছাড়পত্র পাওয়ার সারণিতে রয়েছে। তাই দীর্ঘসূত্রিতা করে স্টারলিঙ্ককে বঞ্চিত করা হচ্ছে এ কথা ভাবার যুক্তি নেই।

আর এখানেই রয়েছে প্রশ্ন। উপগ্রহভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবা ভারতের মূল স্থলভিত্তিক (টেরেস্ট্রিয়াল) মোবাইল ব্রডব্যান্ড পরিষেবার ব্রডব্যান্ড বাজার কতটা ধরতে পারবে, বা আদৌ ধরতে পারবে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর অধরা। বিশেষজ্ঞদের মত, প্রযুক্তিগতভাবে স্থলভিত্তিক মোবাইল ব্রডব্যান্ড পরিষেবার সঙ্গে এই উপগ্রহভিত্তিক মোবাইল ব্রডব্যান্ড পরিষেবার মেলবন্ধন বিষয়টি এখনও সম্ভব নয়। এর জন্য ষষ্ঠ প্রজন্মের (‘সিক্সথ জেনারেশন’) টেলি-যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োজন, যা বাণিজ্যকভাবে পেতে এখনও বছর তিনেক দেরি। তবে সাধারণ মোবাইল ফোনের সঙ্গে কথোপকথন করতে পারবে এই উপগ্রহ পরিষেবা। তবে এখনও স্পষ্ট নয়, উপগ্রহভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবা নেওয়ার জন্য গ্রাহকদের কোনও বিশেষ হ্যান্ডসেট প্রয়োজন হবে কি না।

দামের সমস্যা
সমস্যা আরও রয়েছে। গত ১০ বছরে ভারতে গ্রাহকপিছু গড় ব্রডব্যান্ড ব্যবহার যত বেড়েছে, ব্রডব্যান্ডের মূল্য তত কমেছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৬-’১৭ অর্থবছরে গ্রাহক মাসে ১৫০ টাকা খরচ করে গড়ে ১ গিগাবাইট (সংক্ষেপে যাকে ‘জিবি’ বলা হয়) ব্রডব্যান্ড ডেটা ব্যবহার করত। ২০২৬-’২৭ সালে এসে গ্রাহক মাসে ১৮০ টাকা খরচ করে গড়ে প্রায় ২৬ জিবি ডেটা ব্যবহার করছে। অন্যভাবে বললে, ১০ বছর আগে যেখানে ১ জিবি ডেটা ব্যবহার করতে ১৫০ টাকা খরচ হত, এখন তা কমে দঁাড়িয়েছে ৭ টাকায়। ২০১৪ সালে ১০০ জিবি ডেটা প্যাকেজের দাম ছিল যেখানে ২৮ হাজার টাকা, ১২ বছর পরে তা কমে দঁাড়িয়েছে ৮৫০ টাকায়। ব্যবসায়িক দিক দিয়ে দেখলে উপগ্রহ ব্রডব্যান্ডের ১ জিবি ডেটা ব্যবহারের খরচ স্থলভিত্তিক ব্রডব্যান্ডের খরচের চেয়ে মাত্রাতিরিক্ত বেশি হলে সাধারণ পরিষেবা লাভজনক করা যে সমস্যা হবে, তা ইলন মাস্ক নিজেও জানেন। তিনি নিজেই জানাচ্ছেন, স্টারলিঙ্ক খুব দামী হলে ভারতে কেউ নেবে না। তাই ‘স্পেসএক্স’-কে গ্রাহকের সাধ্যের মধ্যে দাম ঠিক করতে হবে।

বিশ্বের অন্য দেশে ‘স্টারলিঙ্ক’ কীরকমভাবে ব্যবসা করছে? সূত্র অনুসারে, মাস্কের নিজের দেশ মার্কিন মুলুকে ‘স্টারলিঙ্ক’ পরিষেবা নিতে হলে গ্রাহককে প্রথমে ৫০ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৫ হাজার টাকা), আর তারপর প্রতি মাসে ডেটা ব্যবহারের প্যাকেজ অনুসারে ২৮ ডলার থেকে ৫০ ডলার (অর্থাৎ, ভারতীয় মুদ্রায় ২৮০০ থেকে ৫০০০ টাকা) দিতে হয়। আফ্রিকার দেশগুলিতেও মূলত এই মূল্য হারই নেয় ‘স্টারলিঙ্ক’। সম্প্রতি বাংলাদেশে পরিষেবা দেওয়া শুরু করেছে এই মার্কিন বহুজাতিক সংস্থা। সেখানে সংস্থার পরিষেবার প্যাকেজ নিতে হলে ৪,২০০ বাংলাদেশি টাকা লাগবে, যা ভারতীয় মুদ্রায় ৩,৩০০ টাকা। এর পাশাপাশি ভারতে স্থলভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবার প্যাকেজ ১৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।
আরও একটা কথা। উপগ্রহ-মারফত ব্রডব্যান্ড পরিষেবাকে আদতে প্রাথমিকভাবে স্থলভিত্তিক ব্রডব্যান্ডের পরিপূরক হিসাবে দেখা হচ্ছে। যেহেতু উপগ্রহ থেকে সরাসরি এই ব্রডব্যান্ড পরিষেবা মেলে, তাই পাহাড়, জঙ্গলের মতো দুর্গম জায়গায়– জাহাজে, বিমানে বলতে গেলে সর্বত্র এই উপগ্রহ মারফত এই ব্রডব্যান্ড পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে। অর্থাৎ, যেসব জায়গায় টাওয়ার বসানো সম্ভব নয়, সেসব জায়গায় এই উপগ্রহভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবা দেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হবে। এই উপগ্রহ-ভিত্তিক ব্রডব্যান্ড পরিষেবাকে প্রাথমিকভাবে সরকারি দফতর ও বেসরকারি সংস্থার ব্যবহারের জন্য খোলা হচ্ছে।

নিরাপত্তাজনিত সমস্যা
‘স্টারলিঙ্ক’-এর ক্ষেত্রে নিরাপত্তাজনিত বিষয়টিও মাথাচাড়া দিয়েছে। সম্প্রতি, ‘স্টারলিঙ্ক’ ইউক্রেনে তার পরিষেবা হঠাৎ সংকুচিত করেছে। এতে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপন ও ড্রোন পরিচালনার ক্ষেত্রে অসুবিধায় পড়ে গিয়েছে। এর আগে মস্কোর সঙ্গে ডিজেল কেনার মার্কিন চুক্তির সমালোচনা করেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির আলেকজান্দ্রোভিচ জেলেনস্কি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে বসেন, জেলেনস্কিকে সরিয়ে ইউক্রেনে নতুন প্রেসিডেন্ট আনা দরকার। এরপরই ইউক্রেনে ‘স্টারলিঙ্ক’-এর পরিষেবা সীমিত হয়ে যায়। পুরো ঘটনার নেপথ্যে যেমন অনেকেই হোয়াইট হাউসের অদৃশ্য অঙ্গুলিহেলন দেখছেন, তেমনই মার্কিন স্বার্থের সংঘাত হলে ‘স্টারলিঙ্ক’ কতটা নিরপেক্ষ সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।

ভারতে কোনও যুদ্ধ বা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ‘স্টারলিঙ্ক’-র বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আর এ কথা তো প্রত্যেকেরই জানা– নিরাপত্তা ইস্যুর জন্যই চিন, রাশিয়া-সহ একাধিক দেশে ‘স্টারলিঙ্ক’ প্রবেশাধিকার পায়নি। অর্থাৎ, এ-দেশে মার্কিন বহুজাতিকের সামনে বিশ্বাসযোগ্যতাও বড় মানদণ্ড হয়ে দঁাড়াতে পারে। তাই এ-দেশের ব্রডব্যান্ড দুনিয়ায় ইলন মাস্কের পক্ষে ‘ভিনি, ভিডি, ভিসি’ করা সহজ নয়।

(মতামত নিজস্ব)

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *