আগেও ছিল নিয়ম! কিন্তু সেক্ষেত্রে কড়াকড়ি তেমন ছিল না। এর মধ্যেই রাজ্যে পালাবদল ঘটেছে। বাংলার মসনদে বিজেপি সরকার। ইদের মতোই মহরমের আগেও বৈঠক ডেকে একাধিক কড়া বিধি নিষেধ জারি করা হয়। তার জেরেই এবার মহরমে অস্ত্র হাতে দেখা যায়নি। এমনকী ডিজের দাপটও ছিল অনেক কম। বদলের বাংলায় এহেন ছবি সামনে আসতেই পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে যারা মহরমের মিছিল করেছেন তাঁদেরও ধন্যবাদ জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”শাসকের আইন নয়, এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।”
পূর্বতন সরকারকে কার্যত একহাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”এতদিন এঁদেরকে বলা হতো যা খুশি করতে। এখন পুলিশ সরকারের পক্ষ থেকে বলছে, যা করবেন আইন মেনে করবেন। তাই সবাই মানছে। আর সবাই আইন মেনে নিলে আমাদের কোনও সমস্যা নেই।”
আরও পড়ুন:
শনিবার বিকেলে বাগনানে নিহত দলীয় কর্মী প্রশান্ত দে-র বাড়ি যান শুভেন্দু অধিকারী। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই ঘটনার পাশাপাশি মহরমে এবার যে ছবি দেখা গিয়েছে, তা নিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ”এতদিন শাসকের আইন ছিল। কিন্তু এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।” তাঁর কথায়, ”গত বছর মহরমের মিছিলে অস্ত্র ছিল। এই বছর গোটা রাজ্যে অস্ত্র দেখেননি। এজন্য পুলিশকেও ধন্যবাদ দেব, যারা মহরম করেছেন তাঁদেরকেও ধন্যবাদ দেব। এঁদেরকে লাইনে আনার দায়িত্বটা আমাদের।” কার্যত এই বিষয়ে পূর্বতন সরকারকে কার্যত একহাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”এতদিন এঁদেরকে বলা হতো যা খুশি করতে। এখন পুলিশ সরকারের পক্ষ থেকে বলছে, যা করবেন আইন মেনে করবেন। তাই সবাই মানছে। আর সবাই আইন মেনে নিলে আমাদের কোনও সমস্যা নেই।”
শুক্রবার কলকাতা-সহ সারা রাজ্যজুড়ে পালিত হয় মহরম। এবার আগে থেকে সতর্ক ছিল পুলিশ প্রশাসন। দফায় দফায় বৈঠক করে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, মহরমের দিন কোনও ধরনের অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না। শোভাযাত্রায় ডিজে বাজানোর উপরেও জারি করা হয় নিষেধাজ্ঞা। তাজিয়ার উচ্চতাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয় পুলিশের তরফে। শুধু তাই নয়, সম্প্রীতি যাতে বজায় থাকে, সেদিকেও নজর রাখার কথা বলা হয়। সেই মতো শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যেই কড়া পুলিশের নজরদারি ছিল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
