রাতের কারখানায় দুর্ঘটনা, জামুড়িয়ায় ফার্নেস ফেটে জখম অন্তত ৩, এলাকায় আতঙ্ক

রাতের কারখানায় দুর্ঘটনা, জামুড়িয়ায় ফার্নেস ফেটে জখম অন্তত ৩, এলাকায় আতঙ্ক

রাজ্য/STATE
Spread the love


রাতের কারখানায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা। শুক্রবার রাতে পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার একটি স্পঞ্জ কারখানায় ফার্নেসে বিস্ফোরণ ঘটে অন্তত ৩ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। দ্রুত উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন তাঁরা। বিস্ফোরণে ঝলসে যাওয়া শ্রমিকদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। এই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। বড় বিপদ এড়াতে গোটা কারখানা ঘিরে রেখেছে পুলিশ ও দমকল। 

জানা যাচ্ছে, জামুড়িয়ার ইকরার ক্যালেস্টার কারখানায় শুক্রবার রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। প্রাথমিক সূত্রে খবর, এদিন রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে আচমকাই কারখানার ভিতরে ফার্নেস ফেটে যাওয়ার শব্দ পাওয়া যায়। এর জেরে বেশ কয়েকজন শ্রমিক গুরুতর জখম হন। প্রাথমিকভাবে সংখ্যাটা জানা না গেলেও পরে দেখা যায়, তিনজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। 

আরও পড়ুন:

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও দমকল বাহিনী। নিজস্ব ছবি

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কারখানা চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়ায়। ​খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জামুড়িয়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। পাশাপাশি নিরাপত্তার স্বার্থে দমকলের একটি ইঞ্জিনও ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশ ও দমকল কর্মীরা যৌথভাবে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ​

প্রাথমিকভাবে ফার্নেস বিস্ফোরণ থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হলেও, সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কারখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার পর থেকেই গোটা এলাকায় তীব্র উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। শ্রমিকদের রাতের শিফটে কাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা কাঞ্চন পাল বলেন, ‘‘কারখানাগুলো কোনো মেইনটেনেন্স করছে না, যার জন্য এমন বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা চাই প্রশাসন এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিক এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সঠিক ক্ষতিপূরণ পাক।” অন্যদিকে, সুরক্ষাবিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিজেপি নেতা দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‘কারখানায় ন্যূনতম সুরক্ষাবিধি বলে কিছু ছিল না, এমনকি দুর্ঘটনার পর ব্যাকআপ বা কথা বলার মতো কোনো কর্তৃপক্ষও এখানে উপস্থিত নেই।” 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *