মমতার পালটা এবার কমিশনকে চিঠি শুভেন্দুর, SIR প্রক্রিয়া সমর্থনে যুক্তি বিরোধী দলনেতার

মমতার পালটা এবার কমিশনকে চিঠি শুভেন্দুর, SIR প্রক্রিয়া সমর্থনে যুক্তি বিরোধী দলনেতার

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির পালটা। সোমবারই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চারপাতার চিঠি লিখলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগগুলো সঠিক নয় বলেই দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন এসআইআর প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করছেন তিনি।

শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে লেখা চিঠিতে এসআইআর নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ করেন, তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভোটারদের নাম ‘ব্যাকএন্ডে’ মুছে ফেলা হচ্ছে। অথচ আইন অনুযায়ী, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচনী রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। এই প্রক্রিয়ায় তাঁদের অনেক ক্ষেত্রেই অন্ধকারে রাখা হচ্ছে। চিঠিতে তিনি লেখেন, বিহারে যে নথিগুলি এসআইআরের সময় বৈধ হিসেবে মানা হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গে হঠাৎ করেই সেগুলি অগ্রাহ্য করা হচ্ছে। এমনকি রাজ্য সরকারের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্রও ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন।  বলেন, এতে পরিযায়ী শ্রমিকদের অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, শুনানির জন্য ভোটারদের ডাকা হলেও কী নথি আনতে হবে, তা আগাম জানানো হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রেই জমা দেওয়া কাগজের কোনও রসিদও দেওয়া হচ্ছে না।

এসআইআরের শুরুতে বিভিন্ন দলের বিএলএ-দের ভূমিকা ছিল অতি সক্রিয়া। কমিশনের হয়ে কাজ করা বিএলও-দের কাজ থেকে শুরু করে ভোটারদের এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করতে সর্বক্ষণ সাহায্য, পরিশ্রম করেছেন তাঁরা। কিন্তু শুনানি পর্বে দেখা গিয়েছে, বিএলএ-দের শুনানিকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। জ্ঞানেশ কুমারকে লেখা চিঠি এনিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কড়া চিঠিতে তিনি স্পষ্ট এসব নিয়ে নিজের বিরক্তির কথা প্রকাশ করেছেন। সোমবার কমিশনারকে লেখা চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগগুলি খণ্ডন করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পয়েন্ট ধরে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *