ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর ও তাঁর মায়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার এক ব্যক্তি। ধৃত ব্যক্তির নাম সন্দীপ সাউ। সূত্রের খবর তিনি যুব তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি। ভবানীপুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে শনিবার আলিপুর আদালতে হাজির করে। অভিযোগ, গত ৬ আগস্ট রাতে ঘটনাটি ঘটেছিল। এক বিজেপিকর্মীকে মারধর করে গালিগালাজও করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীর মায়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগও দায়ের হয়েছিল। এহেন অভিযোগের তদন্তে নেমে গেপ্তার ওই তৃণমূল নেতা।

শনিবার ওই ব্যক্তিকে আদালতে তোলা হলে ধৃত ব্যক্তির তরফের আইনজীবী দায়ের ভট্টাচার্য বলেন, ধৃত ব্যক্তি মানসিক রোগী। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চলছে। সরকারি কৌসুলি সৌরীন ঘোষাল পুলিশ হেফাজতের আবেদন করে বলেন, মারধরের ফলে বিজেপি কর্মীর বাঁ চোখে আঘাত লেগেছে। তদন্ত দরকার। আদালত ধৃত ব্যক্তিকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুন:

এক বিজেপি কর্মীর উপর হামলা ও তাঁর মায়ের শ্লীলতাহানি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে ভবানীপুরে। আর সেই ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তৎপর হয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত তথা তৃণমূলের প্রাক্তন যুবনেতাকে গ্রেপ্তার করে। ভবানীপুর থানার ওসি সৌমিত্র বসুর নেতৃত্বাধীন পুলিশের একটি টিম অভিযুক্ত সন্দীপ সাউকে গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্ত সন্দীপ দক্ষিণ ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুব তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি বলে জানা গিয়েছে। ওই বিজেপি কর্মী ভবানীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে অভিযোগে জানান, অভিযুক্ত সন্দীপ সাউ হঠাৎই তাঁর উপর চড়াও হন ও তাঁকে নৃশংসভাবে মারধর করেন। আক্রান্ত ব্যক্তির মা তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত তাঁকেও মারধর ও শ্লীলতাহানি করে। অভিযোগ পাওয়ার পর ভবানীপুর থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। ওসি সৌমিত্র বসুর নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা জানতে ধৃত তৃণমূল নেতাকে জেরা করা হয়।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *