আজ মহাষ্টমী। মণ্ডপে মণ্ডপে পুজো, অঞ্জলি, কানে ভেসে আসছে স্তোত্রপাঠ। তিথি অনুযায়ী, সোমবার ভোরে মণ্ডপে মণ্ডপে হয় অষ্টমীর পুষ্পাঞ্জলি। মহাষ্টমী ও মহানবমীর মিলন মুহূর্তে ১০৮ পদ্ম-প্রদীপে সন্ধিপুজো হয়েছে সমারোহে। চিরাচরিত প্রথা মেনে ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগমে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার মধ্যে অন্যান্যবারের মতো এ বছরও বেলুড় মঠে হলে কুমারী পুজো। সোমবার ভোরে মহাস্নানের মধ্যে দিয়ে বেলুড় মঠে দেবীর পুজো শুরু হয়। এবছর কুমারী রূপে ৫ বছর ৯ মাস ২১দিনের দেবাদৃতা বন্দোপাধ্যায়কে পুজো করা হয় বেলুড়মঠে। কুমারীকে বেনারসি শাড়ি, গয়নায় সাজিয়ে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় রামকৃষ্ণদেবের মন্দিরে। সেখান থেকে মঠের স্বেচ্ছাসেবকদের কোলে চেপে কুমারী আসেন দুর্গামণ্ডপে। সেখানেই সমস্ত রীতি-আচার মেনে চলে পুজো।

আরও পড়ুন:
অন্যদিকে দুর্গাপুজো এলেই কলকাতার যে প্রতিমার মুখ জ্বলজ্বল করে চোখের সামনে ভেসে ওঠে, তিনি হলেন উত্তর কলকাতার রানি মা। বাগবাজার সর্বজনীনের চিরাচরিত দেবীমূর্কি। সাবেকিয়ানার ছোঁয়া আজও চোখকে ছুঁয়ে যায় ভক্তদের। উত্তর কলকাতার প্রাচীনতম বারোয়ারি দুর্গাপুজোগুলির মধ্যে অন্যতম বাগবাজার সর্বজনীনের পুজো। ১০৮ বছরের এই প্রাচীন পুজোর গরিমা অটুট রয়েছে আজও। এই পুজোর সঙ্গে মিশে রয়েছে কলকাতার ঐতিহ্য, বনেদিয়ানা, ইতিহাস। মহাষ্টমীর ভোর থেকে নিয়ম-মেনে চলছে পুজার্চনা।

কাঁথিতে নিজের পাড়ার পুজোয় মহাষ্টমীর আরতি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কাঁথির নান্দনিক ক্লাবে ধূপ-ধুনো-চামড়ে দেবীর আরতি করেন তিনি। বললেন, “এই পুজোতে প্রতিবারই আসি। তাই এবছরও এলাম। আমার এলাকার পুজো। মায়ের কাছে প্রার্থনা করলাম, আর যেন কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে।”

প্রতিবছরের মতো এবারও মহাষ্টমীর পুজোয় চোখের জলে দেবীর আবাহন করলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রীরামপুরেই যে আবাসনে থাকেন তিনি, সেই গঙ্গা দর্শন আবাসনের পুজোতে কেঁদে ভাসালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
