‘বিষ খাওয়ার টাকা ছিল না তবুও সুস্মিতা ছিল’, ললিত মোদীর সুরেই প্রাক্তনে গুণমুগ্ধ বিক্রম ভাট

‘বিষ খাওয়ার টাকা ছিল না তবুও সুস্মিতা ছিল’, ললিত মোদীর সুরেই প্রাক্তনে গুণমুগ্ধ বিক্রম ভাট

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


সুস্মিতা সেন, চলচ্চিত্র জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগতজীবনও বেশ আকর্ষণীয়। বারবার তাসের ঘরের মতো ভেঙে গিয়েছে ভালোবাসার সাজানো বাগান। তবে প্রাক্তনরা কেউ কিন্তু, সুস্মিতায় ক্ষুদ্ধ নন। বরং সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরও আজও সুস ম্যাজিকে মজে ললিত মোদী থেকে বিক্রম ভাট। ললিত মোদীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতেই জুটেছিল ‘গোল্ড ডিগার’ বা ‘ডায়মন্ড ডিগার’-এর তকমা। সম্প্রতি শিল্পপতি ও প্রাক্তন আইপিএল কর্তা এক সাক্ষাৎকারে সেই অভিযোগ নস্যাৎ করে বলেছেন, “সুস্মিতা এতটাই সাবলম্বী যে তিনি কারও উপর নির্ভরশীল নন। তাই ‘গোল্ড ডিগার’ বা ‘ডায়মন্ড ডিগার’ তকমাগুলো ওঁর ইমেজের সঙ্গে একেবারে বেমানান।”

মোদীর অকপট স্বীকারোক্তি, “আমি সুস্মিতার জন্য এক টাকাও কখনও খরচ করিনি বরং ও করেছে। নিজেকে মনে হয়েছিল ঘুরতে যাওয়ার জন্য ভাড়া করা প্রেমিক! আমার ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছিল।” ললিতের পর এবার একই সুর শোনা গেল পরিচালক বিক্রম ভাটের কণ্ঠেও। একটা সময় বিক্রমের সঙ্গে সুস্মিতার সম্পর্ক ছিল সিনেপাড়ার চর্চিত টপিক। ১৯৯৬ সালে ‘দস্তক’ সিনেমায় কাজ করার সময় ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। সুস্মিতার কেরিয়ারের প্রথম ছবিতে মহেশ ভাটের সহযোগী হিসেবে কাজ করছিলেন বিক্রম ভাট। সেই সূত্রেই কাছাকাছি আসেন দুজনে।

আরও পড়ুন:

সুসের প্রশংসায় বিক্রম

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নয়ের দশকের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সুস্মিতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ পরিচালক বিক্রম ভাট। সম্পর্কে থাকাকালীন সুস্মিতা তাঁক আর্থিকভাবে সাহায্য করতেন। প্রেমিকের পকেট দেখে সুস্মিতা কখনও মুখ ফেরাননি। কর্মজীবনের শুরুতে আর্থিক সংকটের কথা বলতে গিয়েই উঠে ভেঙে যাওয়া সম্পর্কের স্মৃতিমেদুর মুহূর্ত।

বিক্রম বলেন, “বড় বড় প্রজেক্ট পরিচালনা এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে ওঠাবসা সত্ত্বেও হাতে টাকা প্রায় থাকত না বললেই চলে। বলিউডের বড় বড় তারকাদের সঙ্গে কাজ করলেও এক সময় চরম অর্থকষ্টে ভুগেছি। এমনও সময় গিয়েছে যখন মিউজিক সিডি কেনার মতো টাকাও জোগাড় করতে পারিনি। আমি যখন কেরিয়ারে প্রতিষ্ঠিত হতে সংগ্রাম করছি তখন বিষ খাওয়ার টাকাও ছিল না।”

প্রেম কাহিনি

ব্যক্তিগতজীবন সম্পর্কে আরও যোগ করেন,  “আমির খানের সঙ্গে কাজ করেছি, প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরীর সঙ্গেও সম্পর্কে ছিলাম। অথচ পকেট ফাঁকা। আমি সম্পূর্ণ নিঃস্ব ছিলাম। ফকিরের মতো জীবন কাটিয়েছি। সুস্মিতার সঙ্গে প্রেম ভাঙার পর আমিশা প্যাটেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান বিক্রম। সাফল্য ও ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে বলেন, “ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি তবে আমার কাজ আজও দর্শক ভালোবাসেন।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *