বিমানে জঙ্গি হামলায় অস্বস্তি বাড়ল ফ্লাইদুবাইয়ের, মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ আদায়ে মামলার প্রস্তুতি যাত্রীদের

রাজ্য/STATE
Spread the love


ফ্লাইদুবাইয়ের বিমান মাঝআকাশে বিরাট বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছিল গত সপ্তাহে। বিমানটিকে সৌদি আরবের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিল ওমানি পাইলট হামাম আল-হামামি। ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের প্রাণপন লড়াইয়ে হাইজ্যাক, নাশকতার মতো ঘটনা থেকে রেহাই পায় উড়ানটি। এবার ওই ঘটনায় কয়েক মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে যৌথ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ফ্লাইদুবাইয়ের যাত্রীরা।

জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার পাশাপাশি ইজরায়েল ও আরব আমিরশাহী— উভয় দেশের পরিবহন মন্ত্রকের বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা করেছেন সিংহভাগ যাত্রী। ফ্লাইদুবাইয়ের ১০৭৩ উড়ানে ভয়ংকর ঘটনার জন্য এই মামলায় কয়েক মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হতে পারে। একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৭৪ জন যাত্রীর মধ্যে প্রায় ১০০ জন আইনি প্রক্রিয়ায় শামিল হয়েছেন। তাঁরা মামলা তদারকির জন্য একটি কমিটিও গঠন করে ফেলেছেন।

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি মাঝ আকাশে বিরাট বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে গত বুধবার। বিমানটিকে সৌদি আরবের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিল ওমানি পাইলট হামাম আল-হামামি। সেটা আঁচ করতে পেরে আটকাতে যান কো পাইলট স্মিত মচ্ছর, সেসময়েই ককপিটে থাকা কুঠার দিয়ে হামাম তাঁকে কোপ দেয়। কোনও মতে ককপিটের দরজা খুলে দেন স্মিত। যাত্রীরা ককপিটে ঢুকে এসে পাকড়াও করে ফেলেন হামামকে। সে যেন আর কোনও অনিষ্ট করতে না পারে সেটা নিশ্চিত করতে তার হাত-পা বেঁধে ফেলেন যাত্রীরা। কিন্তু সেটা পছন্দ হয়নি ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানকর্মীদের।

আরও পড়ুন:

বিমানে থাকা দুই যাত্রী জিকা মানেস এবং ড্যানিয়েল স্লিখটার জানিয়েছেন, চারজন যাত্রী মিলে হামামকে আটকে বেঁধে ফেলেছিলেন। হেডফোনের তার এবং নানা ধরণের টেপ দিয়ে পিছমোড়া করে রেখেছিলেন অভিযুক্ত পাইলটকে। কোনওমতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া গিয়েছে ততক্ষণে। কিন্তু এমতাবস্থায় ককপিটে এসে হাজির হন বিমানের অন্যান্য কর্মীরা। দাবি করতে থাকেন, হামামকে ছেড়ে দিতে হবে। স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে যাত্রীদের মনে। যে পাইলট একটা বিরাট দুর্ঘটনা ঘটাতে যাচ্ছিল, কেন তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করছেন বিমানকর্মীরা? মানের কথায়, “একটা জঙ্গিকে ওরা ছেড়ে দিতে বলছিল। জানি না কেন।”

যদিও বিমানের অন্যান্য কর্মীদের বিরুদ্ধে এখনও কোনও অভিযোগ আনা হয়নি। ফ্লাইদুবাইও এমন বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে কিছু বলেনি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, গোটা বিমানটাই কি হামামের মতো জেহাদি মানসিকতার কর্মীতে ভর্তি ছিল? হামামকে আটকানো না গেলে কি এই কর্মীরাও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে কাজ করতেন?

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *