প্রবল বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিম ফের বিপর্যয়ের কবলে। ফুসছে প্রতিটি নদী ও ঝোরা। শনিবার বিকেলে বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিভিন্ন সড়ক। মেয়ং খোলা উথলে ওঠায় মঙ্গন-চুংথাং সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে। উভয় দিকের সমস্ত যানবাহনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কতজন পর্যটক ঝড়বৃষ্টিতে আটকে পড়েছে সেটা জানা সম্ভব হয়নি। এরমধ্যেই বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তিস্তা। লাল সঙ্কেত জারি করা হয়েছে সিকিমে। যার জেরে কালিম্পংয়ের তিস্তা বাজারে জনমানসের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। জানা গিয়েছে, নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা নিরাপদ এলাকায় পালাতে শুরু করেছে।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন মঙ্গনের জেলাশাসক অনন্ত জৈন এবং এসপি এলবি ছেত্রী। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। শীর্ষ দুই আধিকারিক জানিয়েছেন, রাস্তাটি যাতায়াতের জন্য মোটেও নিরাপদ নয়। তাই, চুংথাং এবং মঙ্গন উভয় দিক থেকে যানবাহন চলাচল বন্ধ করার জন্য চেকপোস্টগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলস্তর নেমে গেলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:

তবে শুধু মঙ্গন-চুংথাং সড়ক নয়। প্রবল বর্ষণের জেরে ফি খোলার জলস্তর বেড়ে চলায় ফিডাং গ্রামের কাছে লোয়ার জংগু রোড বন্ধ হয়েছে। যাত্রীদের আপাতত ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় হড়পা বান ও ভূমিধসের শঙ্কাও বেড়েছে। মঙ্গন জেলা প্রশাসনের তরফে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। পাহাড়ের উঁচু এলাকায় ভারী বৃষ্টি চলতে থাকায় গ্যাংটকের কাছে তিস্তা নদীর জলস্তর বাড়ছে। প্রশাসনের তরফে নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
