সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এখন তিনি টেস্ট দলের অধিনায়ক। ওয়ানডে তো বটেই, টি-টোয়েন্টিতেও সহ-অধিনায়ক হয়েছেন শুভমান গিল। সদ্যসমাপ্ত ইংল্যান্ড সিরিজেও আগুনে ফর্মে ছিলেন তিনি। সেই ২০১৮ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে সফর শুরু গিলের। যে দলের কোচ ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। শুরুতে কেমন দেখেছিলেন গিলকে? সেই নিয়ে মুখ খুললেন দ্রাবিড়।
সম্প্রতি রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে একটি পডকাস্টে ভারতের প্রাক্তন কোচ বলেন, “শুভমান গিলকে আলাদা করে চেনা যেত। পৃথ্বী শ-কে নিয়েও একই কথা বলা যায়। আমার আগেই গিলকে অনেকে চিনতেন। আমি শুনেছিলাম, ‘আরে শুভমান গিল দারুণ প্লেয়ার’। আর এটা সত্যি, যখন তুমি যখন ভারতীয় ক্রিকেটের মধ্যে থাকো, আর বৈভব সূর্যবংশী বা আয়ুষ মাত্রের মতো প্রতিভা উঠে আসে, তখন কোচেদের নজরে পড়বেই। গিলকে দেখার আগেই অন্তত ৬জন আমাকে ওর ব্যাপারে বলেছে। সবাই বলেছে ও কত ভালো প্লেয়ার।”
‘কুট্টি স্টোরিজ’ নামের ওই পডকাস্টে দ্রাবিড় আরও বলেন, “আমি বিশেষ কারও নাম বলব না। তাতে অনেকের প্রতি অবিচার হবে। কিন্তু, যখন আমি প্রথম ঋষভ পন্থকে দেখি, তখনই বুঝি ও সবার থেকে আলাদা। আবার যদি ২০১৬-র ওই ব্যাচটার দিকে তাকাই, তাহলে মনে পড়বে খলিল আহমেদের কথা। ও এখনও নিজের রাস্তা খুঁজছে। এখনও সেটা ও খুঁজে পাইনি। কিন্তু যখন আমি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কথা ভাবি, তখন মনে হয়, ‘তরুণ বোলার হিসেবে ওর মধ্যে আলাদা প্রতিভা আছে’।”
বর্তমানে রাজস্থান রয়্যালসের কোচ রাহুল। সেখানেও প্রতিভার ছড়াছড়ি। তাঁদের মধ্যে কাকে ‘স্পেশাল’ বলে মনে হচ্ছে তাঁর? দ্রাবিড় বলছেন, “রিয়ান পরাগ আছে। যখন আমি ১৮ বছর বয়সি সঞ্জু স্যামসনকে দেখি, তখনই ওর প্রতিভা বুঝেছিলাম। অনেক নামই হয়তো বলা হল না। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটের সিস্টেমটাই এরকম। যাদের দেখে মনে হয় ‘অসাধারণ’। আর প্রতি বছর আইপিএলের ট্রায়ালে নতুন নতুন প্রতিভা উঠে আসছে।”
