নিজে অনশন করেন ২৬ দিন, এবার যন্তরমন্তরে ১৭ দিন অনশনরত ওয়াংচুকের সঙ্গে কথা মমতার

নিজে অনশন করেন ২৬ দিন, এবার যন্তরমন্তরে ১৭ দিন অনশনরত ওয়াংচুকের সঙ্গে কথা মমতার

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


তাঁর নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে অনশন-ধরনা! সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় তাঁর টানা ২৬ দিনের অনশন রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিকে রীতিমতো আলোড়িত করেছিল। বলা ভালো, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উত্থানে বড় ভূমিকা রয়েছে সেই অনশনের।  এবার দিল্লির যন্তরমন্তরে অনশনরত সমাজকর্মী তথা পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের পাশে দাঁড়ালেন কালীঘাট তৃণমূলের সুপ্রিমো। ফোনে সোনমের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে ১৭ দিন ধরে অনশনে সোনম ওয়াংচুক। ককরোচ জনতা পার্টির মঞ্চে টানা অনশনে ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা বেশ উদ্বেগজনক। তাঁর অনশন নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় আলোড়ন পড়েছে বটে, সেভাবে রাজনৈতিক সমর্থন পাননি তিনি। বিশেষ প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস সেভাবে ওয়াংচুক বা ককরোচ পার্টির পাশে দাঁড়ায়নি। উদ্ধব ঠাকরে বা অন্য বিরোধীরা মাঝে মাঝে সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে কাজ সেরেছেন। এবার মমতা সোজা ফোনে তাঁর খোঁজখবর নিলেন।

আরও পড়ুন:

ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে সোশাল মিডিয়ায় জানালেন, “তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোনম স্যরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। মমতাদিদি সোনমজির পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে শক্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন। যেভাবে তিনি আমাদের সমর্থন জানালেন সেজন্য মমতা দিদিকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।” উল্লেখ্য, মঙ্গলবারই কালীঘাট তৃণমূলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ এবং মহুয়া মৈত্র সোনমের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন। মহুয়া তাঁকে অনশন প্রত্যাহার করার বার্তাও দিয়েছেন। অর্থাৎ কালীঘাট তৃণমূল পুরোপুরি সোনমের আন্দোলনের সঙ্গে থাকার বার্তা দিচ্ছে।

 

মঙ্গলবারই অনশনরত সোনম আন্দোলনে বিরোধীদের সাড়া না পেয়ে হতাশাপ্রকাশ করেছিলেন। তিনি আক্ষেপের সুরে বলেন, সরকার যেমন তাঁদের কথা শুনছে না, তেমন বিরোধীরাও এগিয়ে আসছেন না। সোনম বলেন, “আমাদের প্রতিবাদ আরও জোরাল হবে যাতে সরকারের কানে আমাদের দাবি পৌঁছয়। যদি কোনও পদক্ষেপ না হয় তবে শুধু সরকার নয়, দেশের সেইসব ব্যক্তি ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও দায়ী থাকবেন, যারা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গা ছাড়া মানসিকতা দেখাচ্ছেন। মানুষ যদি বাড়ি থেকে বেরিয়ে আওয়াজ তোলেন, তবেই সরকার নতি স্বীকার করতে বাধ্য হবেন। তবে আমরা বিশ্বাস করি, সরকার এতটা অসংবেদনশীল নয়, তারা অবশ্যই এর সমাধান খোঁজার চেষ্টা করবেন।” 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *