তৈরি হবে ফিভার ক্যাম্প, বেসরকারি ল্যাবে নামমাত্র খরচে টেস্ট, ডেঙ্গু রোধে নির্দেশিকা স্বাস্থ্যভবনের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


এলাকায় সরকারি স্বাস্থ‌্যকেন্দ্রের অভাব রয়েছে। এমন জনবসতিতে বেসরকারি ল‌্যাবরেটরিতে বিনামূল্যে অথবা ভর্তুকিযুক্ত মূল্যেই করা যাবে ডেঙ্গুর পরীক্ষা। নয়া সার্কুলার জারি করল স্বাস্থ‌্য দপ্তর। এর জন‌্য রোটারি ইন্টারন‌্যাশনাল, লায়নস ক্লাব-এর মতো বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিক কথা বলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ‌্য দপ্তর। পিপিপি মডেলে শুরু হবে এই ব‌্যবস্থা। আর তা চালু হলে যে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে তা স্পষ্ট।

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নিশান্তদেব ঘটকের কথায়, ”এই সময় সাধারণ ভাইরাল ফ্লুও হচ্ছে। ডেঙ্গুর সঙ্গে তাকে গুলিয়ে ফেলবেন না। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজে ওষুধ কিনে খাওয়ার অভ‌্যাস ত‌্যাগ করুন। তিন দিনের বেশি জ্বর থাকলে অবশ‌্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।’’ 

আরও পড়ুন:

বাংলাজুড়ে শুরু হয়েছে ডেঙ্গুর মরশুম। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ‌্যাক্টিভ রোগীর সংখ‌্যা ১৪৮। মুখ‌্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবারই স্বাস্থ‌্যভবনে ডেঙ্গু বৈঠক শেষে জানিয়েছেন, ৪ হাজার মানুষ আক্রান্ত ডেঙ্গুতে। তারপর বুধবারই সার্কুলার জারি করেছে স্বাস্থ‌্য দপ্তর। যেখানে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে জ্বরের খোঁজ নেবেন আশাকর্মীরা। আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে জোরদার অভিযান। আশাকর্মীরা যদি বাড়ি গিয়ে দেখেন কারও দু’দিনের বেশি জ্বর রয়েছে। রয়েছে ডেঙ্গুর মতো উপসর্গ, তাদের দ্রুত নিয়ে আসা হবে স্বাস্থ‌্যকেন্দ্রে। স্বাস্থ‌্যদপ্তর নির্দেশিকায় জানিয়েছে, কারও ৪৮ ঘন্টার বেশি জ্বর থাকলে সেই তথ‌্য স্থানীয় এএনএমকে জানাতে হবে। ডেঙ্গু সচেতনতায় জল জমা ঠেকাতে হবে পাড়ায় পাড়ায় মাইকিং, জনসচেতনতামূলক প্রচার। বাড়ি বাড়ি গিয়ে যত জ্বরের রোগী পাওয়া যাবে তার দৈনিক রিপোর্ট পাঠাতে হবে রাজ‌্য সদর দপ্তরে।

পুর-নগরোন্নয় মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞরা বলছেন ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকতে পারে। সমস্ত স্কুল-কলেজ, সরকারি-বেসরকারি অফিস কোথাও জল জমতে দেবেন না। সার্কুলারে জানানো হয়েছে, কোনও এলাকায় জ্বরের প্রকোপ বাড়লে দ্রুত ফিভার ক‌্যাম্প চালু করবে রাজ‌্য সরকার। সকাল ৭ টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত চলবে এই ফিভার ক‌্যাম্প। ক‌্যাম্পে থাকবেন একজন মেডিক‌্যাল অফিসার, নার্সিং কর্মী, ল‌্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান, মেডিক‌্যাল টেকনোলজিস্ট। শিবিরে আসা প্রত্যেক জ্বরের রোগীর বিস্তারিত ঠিকানা এবং ফোন নম্বর নেওয়া হবে। পাশাপাশি দেওয়া হবে ওষুধও। শিবির থেকে ম‌্যালেরিয়ার রক্ত পরীক্ষা হবে, হবে ডেঙ্গুর যাবতীয় পরীক্ষাও। ডেঙ্গু নিয়ে চিন্তিত চিকিৎসকরাও। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নিশান্তদেব ঘটকের কথায়, ”এই সময় সাধারণ ভাইরাল ফ্লুও হচ্ছে। ডেঙ্গুর সঙ্গে তাকে গুলিয়ে ফেলবেন না। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজে ওষুধ কিনে খাওয়ার অভ‌্যাস ত‌্যাগ করুন। তিন দিনের বেশি জ্বর থাকলে অবশ‌্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।’’ 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *